স্বপ্ন
২৪/০. অধ্যায়ঃ
স্বপ্ন - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬০৬-[১]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَمْ يَبْقَ مِنَ النُّبُوَّةِ إِلَّا الْمُبَشِّرَاتُ» قَالُوا: وَمَا الْمُبَشِّرَاتُ؟ قَالَ: «الرُّؤْيَا الصالحةُ» . رَوَاهُ البُخَارِيّ
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : নুবুওয়াতের কোন চিহ্ন এখন আর অবশিষ্ট নেই। তবে শুধু সুসংবাদ বহনকারী রয়ে গেছে। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, সুসংবাদ বহনকারী কী? তিনি (ﷺ) বললেন: ভালো স্বপ্ন।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৯০, আল জামি‘উস্ সগীর ৯৩২৯, সহীহুল জামি‘ ৫১৯৮, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৪৭৩, তিরমিযী ২২৭৫, নাসায়ী ১০৪৫, ইবনু মাজাহ ৩৮৯৯, আবূ দাঊদ ৫০১৭, ৮৭৬; মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৫১৪, মা‘রিফাতুস্ সুনান ওয়াল আসার লিল বায়হাক্বী ৮৫০, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২৮৩৯, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪৫৬, আহমাদ ২৪৯৭৭, আবূ ইয়া‘লা ২৩৮৭, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ৫৪৮, ইবনু হিব্বান ৬০৪৮, দারিমী ১৩২৫।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬০৭-[২]
وَزَادَ مَالِكٌ بِرِوَايَةِ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ: «يَرَاهَا الرجل الْمُسلم أَو ترى لَهُ»
ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) 'আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে আরো অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন : ঐ ভালো স্বপ্নটি কোন মুসলিম নিজের জন্য দেখে থাকে অথবা অন্য কেউ তার জন্য দেখে।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৯০, মুসলিম (৪৭৯)-২০৭, শু‘আবুল ঈমান ৪৭৫৩, আহমাদ ২৭৫৫৬, নাসায়ী ১০৪৫, তিরমিযী ২২৭৩, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৭৮৬, আবূ দাঊদ ৮৭৬, মালিক ৩৫১৯, ইবনু খুযায়মাহ্ ৫৪৮, ইবনু হিব্বান ৮৯৬, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭০৭।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬০৮-[৩]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ»
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : উত্তম স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৮৩, ৬৯৮৭, ৬৯৮৮, ৬৯৮৯, ৬৯৯৪; মুসলিম (২২৬৪)-৭, (২২৬৩)-৮, আবূ ইয়া‘লা ৩২৩৭, আহমাদ ৭১৮৩, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪৬০, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৩৫৫, মা‘রিফাতুস্ সুনান ওয়াল আসার লিল বায়হাক্বী ৬৩৭৩, মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৫১১, আবূ দাঊদ ৫০১৮, সহীহ আল জামি‘উস্ সগীর ৩৪৫৭, ইবনু মাজাহ ৩৮৯৩, তিরমিযী ২২৭১।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬০৯-[৪]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم قَالَ: «من رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَمَثَّلُ فِي صُورَتِي»
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে আমাকে স্বপ্নে দেখবে, সে সত্যই আমাকে দেখবে। কারণ শায়ত্বন আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।
[১] সহীহ : বুখারী ১১০, ৬১৯৭; মুসলিম (২১৬৬)-১০, তিরমিযী ২২৭৬, ইবনু মাজাহ ৩৯০০, আল জামি‘উস্ সগীর ১১২০২, সহীহুল জামি‘ ৬২৫৭, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ২৭২৯, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪৭১, আহমাদ ৯৩২৪, আবূ ইয়া‘লা ৫২৫০, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৫২, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭৬২৯, দারিমী ২১৩৯, হিলইয়াতুল আওলিয়া ৭/২৪৬, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১১৫২, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৯৫৪, আল মুসতাদরাক ৮১৮৬।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১০-[৫]
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ رَآنِي فَقَدْ رَأَى الْحَقَّ»
বর্ণনাকারী আবূ ক্বতাদাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে আমাকে স্বপ্নে দেখেছে সে সত্যই দেখেছে।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৯৬, ৬৯৯৭; মুসলিম (২২৬৭)-১১, আল জামি‘উস্ সগীর ১১১৯৮, সহীহুল জামি‘ ৬২৫৩, দারিমী ২১৪০, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৫১, আহমাদ ৭৫৫৩।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১১-[৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عَلَيْهِ وَسلم: «من رَآنِي فِي الْمَنَام فيسراني فِي الْيَقَظَةِ وَلَا يَتَمَثَّلُ الشَّيْطَانُ بِي»
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে আমাকে স্বপ্নে দেখবে, সে অচিরেই জাগ্রত অবস্থায়ও আমাকে দেখবে। আর শায়ত্বন আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৯৯৩, মুসলিম (২২৬৬)-১১, ইবনু মাজাহ ৩৯০৪, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১০০৪, আবূ দাঊদ ৫০২৩, সহীহুল জামি‘ ৬২৫৫, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১৭৭৩৮, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৫৩, আহমাদ ৩৭৯৮, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৬০৮।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১২-[৭]
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ مِنَ اللَّهِ وَالْحُلْمُ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مَا يُحِبُّ فَلَا يُحَدِّثُ بِهِ إِلَّا مَنْ يُحِبُّ وَإِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَلْيَتْفُلْ ثَلَاثًا وَلَا يُحَدِّثْ بِهَا أحدا فَإِنَّهَا لن تضره»
বর্ণনাকারী আবূ ক্বতাদাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : উত্তম স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ হতে, আর খারাপ স্বপ্ন শায়ত্বনের পক্ষ হতে। কাজেই তোমাদের যে কেউ ভালো স্বপ্ন দেখে, সে যেন তা শুধু এমন ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করে যাকে সে ভালোবাসে।আর যদি কেউ এমন স্বপ্ন দেখে, যা তার নিকট অপছন্দনীয়, তাহলে সে যেন তার ক্ষতি এবং শায়ত্বনের অনিষ্ট হতে আল্লাহর নিকট পানাহ চায় এবং (বামদিকে) তিনবার থুথু ফেলে। আর স্বপ্নটি যেন কারো নিকট প্রকাশ না করে, তাতে তার আর কোন ক্ষতি হবে না।
[১] সহীহ : বুখারী ৭০৪৪, ৭০৪৫; মুসলিম (২২৬১)-১, (২২৬১)-৪; মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৫১৫, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ১৫৯৯, আহমাদ ২২৬৪৪, আবূ ইয়া‘লা ১৩৬৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৫৯, শু‘আবুল ইমান ৪৭৫৯, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭৬২৭, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ২১৪৬, দারিমী ২১৪১, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৩৫৩, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪৯৩, তিরমিযী ২২৭৭, ইবনু মাজাহ ৩৯০৯, আবূ দাঊদ ৫০২১।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১৩-[৮]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا رَأَى أَحَدُكُمُ الرُّؤْيَا يَكْرَهُهَا فَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ ثَلَاثًا وَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ ثَلَاثًا وَلْيَتَحَوَّلْ عَنْ جَنْبِهِ الَّذِي كانَ عَلَيْهِ» . رَوَاهُ مُسلم
বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যদি তোমাদের কেউ এমন স্বপ্ন দেখে যা সে খারাপ মনে করে, তখন সে যেন নিজের বামদিকে তিনবার থুথু ফেলে। আর আল্লাহর কাছে তিনবার শায়ত্বন হতে পানাহ চায় এবং স্বপ্ন দেখার সময় যে পাঁজরে শায়িত ছিল, সে যেন পাঁজর পরিবর্তন করে নেয়।
[১] সহীহ : মুসলিম (২২৬১)-২, (২২৬২)-৫; ইবনু মাজাহ ৩৮০৮, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৩১১, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ১৫৯৭, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪৯৪, আহমাদ ১৪৮২২, নাসায়ী’র কুবরা ১০৭৪৭, শু‘আবুল ঈমান ৪৭৬১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৬০, আবূ ইয়া‘লা ২২৬৩, আল জামি‘উস্ সগীর ৫৫২, সহীহুল জামি‘ ৫৫১।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১৪-[৯]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا اقْتَرَبَ الزَّمَانُ لَمْ يَكَدْ يَكْذِبُ رُؤْيَا الْمُؤْمِنِ وَرُؤْيَا الْمُؤْمِنِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ وَمَا كَانَ مِنَ النُّبُوَّةِ فَإِنَّهُ لَا يَكْذِبُ» . قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ: وَأَنَا أَقُولُ: الرُّؤْيَا ثَلَاثٌ: حَدِيثُ النَّفْسِ وَتَخْوِيفُ الشَّيْطَانِ وَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ فَمَنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلَا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ فَلْيُصَلِّ قَالَ: وَكَانَ يُكْرَهُ الْغُلُّ فِي النَّوْمِ وَيُعْجِبُهُمُ الْقَيْدُ وَيُقَال: الْقَيْد ثبات فِي الدّين
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যামানা নিকটবর্তী হলে মুমিনের স্বপ্ন মিথ্যা হবে না। আর মুমিনদের স্বপ্ন নুবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। বস্তুতঃ যে জিনিস নুবুওয়াতের অংশ হয়, তা কখনো মিথ্যা হতে পারে না।মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : আমি এ কথা বলি যে, স্বপ্ন তিন প্রকার হয়ে থাকে। প্রথমতঃ মনের খেয়াল বা কল্পনা। দ্বিতীয়তঃ শায়ত্বনের পক্ষ হতে ভীতি প্রদর্শন। আর তৃতীয়তঃ আল্লাহর পক্ষ হতে সুসংবাদ প্রদান। অতএব কেউ কোন অপছন্দনীয় স্বপ্ন দেখলে তা অন্যের নিকট যেন না বলে এবং তখনই উঠে যেন সালাত আদায় করে।ইবনু সীরীন (রহিমাহুল্লাহ) আরো বলেন : নবী (ﷺ) স্বপ্নে (গলদেশে) শৃঙ্খল পরা অবস্থা দেখাকে অপছন্দ করতেন। অবশ্য (পায়ে) শিকল পরা অবস্থায় দেখাকে পছন্দ করতেন। আর বলা হয় যে, শিকল পরার অর্থ হলো, দীনের উপর অবিচল থাকা।
[১] সহীহ : বুখারী ৭০১৭, মুসলিম (২২৬৩)-৬, আল মুসতাদরাক ৮১৭৪, দারিমী ২১৬০, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭৬৫৪, শু‘আবুল ঈমান ৪৭৬২, আহমাদ ৭৬৪২, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৫১২, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৩৫২, মা‘রিফাতুস্ সুনান লিল বায়হাক্বী ৬৩৭৩, সহীহুল জামি‘ ৩৫৩৩, তিরমিযী ২২৭০, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১১৯, ১২০, ১৩৪১।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৪৬১৫-[১০]
قَالَ البُخَارِيّ: رَوَاهُ قَتَادَة وَيُونُس وَهِشَام وَأَبُو هِلَالٍ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَالَ يُونُسُ: لَا أَحْسَبُهُ إِلَّا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْقَيْدِ وَقَالَ مُسْلِمٌ: لَا أَدْرِي هُوَ فِي الْحَدِيثِ أَمْ قَالَهُ ابْنُ سِيرِينَ؟ وَفِي رِوَايَةٍ نَحْوُهُ وَأَدْرَجَ فِي الْحَدِيثِ قَوْلَهُ: «وَأَكْرَهُ الْغُلَّ. . .» إِلَى تَمام الْكَلَام
বর্ণনাকারী ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ) উক্ত হাদীসটি ক্বতাদাহ্, ইউনুস, হুশায়ম এবং আবূ হিলাল ইবনু সীরীন-এর মাধ্যমে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন এবং ইউনুস বলেন : আমার দৃঢ় বিশ্বাস “পায়ে বেড়ি পরা” স্বপ্ন দেখার কথাটি নাবী (সাঃ)
ইমাম মুসলিম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : আমি জানি না ঐ বাক্যটি হাদীসের অংশ নাকি ইবনু সীরীন-এর নিজস্ব অভিমত।অন্য এক রিওয়ায়াতেও অনুরূপ মন্তব্য উল্লেখ রয়েছে। আর স্বপ্নে “গলদেশে শৃঙ্খল পরা দেখা আমি পছন্দ করি না” হতে শেষ পর্যন্ত হাদীসের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।