পানি প্রার্থনার সালাত

৯/৩. অধ্যায়ঃ

ঝড়ো হাওয়া ও মেঘ দেখে আল্লাহ তা'আলার আশ্রয় প্রার্থনা করা ও বৃষ্টি দেখে আনন্দিত হওয়া।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذَا رَأَى مَخِيلَةً فِي السَّمَاءِ أَقْبَلَ وَأَدْبَرَ، وَدَخَلَ وَخَرَجَ، وَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ فَإِذَا أَمْطَرَتِ السَّمَاءُ سُرِّيَ عَنْهُ، فَعَرَّفَتْهُ عَائِشَةُ ذلِكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا أَدْرِي، لَعَلَّهُ كَمَا قَالَ قَوْمٌ (فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ) الآية

বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) যখন আকাশে মেঘ দেখতেন, তখন একবার সামনে আগাতেন, আবার পেছনে সরে যেতেন। আবার কখনও ঘরে প্রবেশ করতেন, আবার বেরিয়ে যেতেন আর তাঁর মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যেত। পরে যখন আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করত তখন তাঁর এ অবস্থা দূর হত। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কারণ জানতে চাইলে নবী (ﷺ) বলেন, আমি জানি না, এ মেঘ এমন মেঘও হতে পারে যা দেখে ‘আদ জাতি বলেছিলঃ অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে উক্ত মেঘমালাকে এগোতে দেখল। (আল আহকাফ (৪৬): ২৪)

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫৯: সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৫, হাঃ ৩২০৬; মুসলিম, পর্ব ৯ : পানি প্রার্থনার সালাত, অধ্যায় ৩, হাঃ ৮৯৯

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18