জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভোগ ও তার বাসিন্দা
৫১/০. অধ্যায়ঃ
জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভোগ ও তার বাসিন্দা
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৭৯৭
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ، وَحُجِبَتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ জাহান্নাম প্রবৃত্তি দিয়ে বেষ্টিত। আর জান্নাত বেষ্টিত দুঃখ-ক্লেশ দিয়ে।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ২৮, হাঃ ৬৪৮৭; মুসলিম, পৰ্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা, অধ্যায় হাঃ ২৮২২, ২৮২৩
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৭৯৮
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قَالَ اللهُ: أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِينَ مَا لاَ عَيْنٌ رَأَتْ، وَلاَ أُذُنٌ سَمِعَتْ، وَلاَ خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ فَاقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ (فَلاَ تَعْلَمُ نَفْسٌ مَا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنِ)
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ বলেছেন, আমি আমার নেককার বান্দাদের জন্য এমন জিনিস তৈরি করে রেখেছি, যা কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শুনেনি এবং যার সম্পর্কে কোন মানুষের মনে ধারণাও জন্মেনি। তোমরা চাইলে এ আয়াতটি পাঠ করতে পার, “কেউ জানে না, তাদের জন্য তাদের চোখ শীতলকারী কী জিনিস লুকানো আছে” (সূরা সাজদাহ ৩২/১৩)।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫৯: সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৮, হাঃ ৩২৪৪; মুসলিম, পৰ্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা, হাঃ ২৮২৪
৫১/১. অধ্যায়ঃ
জান্নাতে এক বৃক্ষ আছে যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর চললেও তা অতিক্রম করতে পারবে না।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৭৯৯
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ فِي الْجَنَّةِ شَجَرَةً يَسِيرُ الرَّاكِبُ فِي ظِلِّهَا مِائَةَ عَامٍ لاَ يَقْطَعُهَا
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
জান্নাতের মধ্যে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় একজন সওয়ারী একশত বছর চলতে থাকবে, তবুও সে এ ছায়া অতিক্রম করতে পারবে না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৫: তাফসীর, অধ্যায় ১, হাঃ ৪৮৮১; মুসলিম, পর্ব ৫১ : অধ্যায় ১, হাঃ ২৮২৬
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০০
حديث سَهْلِ بْنِ سَعْدِ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ فِي الْجَنَّةِ لَشَجَرَةً يَسِيرُ الرَّاكِبُ فِي ظِلِّهَا مِائَةَ عَامٍ لاَ يَقْطَعُهَا
বর্ণনাকারী সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ)
জান্নাতের মাঝে এমন একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ার মাঝে একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবে, তবুও বৃক্ষের ছায়াকে অতিক্রম করতে পারবে না।
সহীহুল বুখারী, পূর্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৬৫৫২; মুসলিম, পর্ব ৫১ : সান্নাত, তার বিবরণ, অনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ১, হাঃ ২৮৫২
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০১
حديث أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ فِي الْجَنَّةِ لَشَجَرَةً يَسِيرُ الرَّاكِبُ الْجَوَادَ الْمُضَمَّرَ السَّرِيعَ مِائَةَ عَامٍ مَا يَقْطَعُهَا
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
নিশ্চয়ই জান্নাতের মাঝে এমন একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ায় উৎকৃষ্ট, উৎফুল্ল ও দ্রুতগামী ঘোড়ার একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবে। তবুও তার ছায়া অতিক্রম করতে পারবে না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৬৫৫৩; মুসলিম, পূর্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ১, হাঃ ২৮২৭, ২৮২৮
৫১/২. অধ্যায়ঃ
জান্নাতবাসীদের উপর আল্লাহর রেজামন্দি ও সন্তুষ্টি এবং তিনি কখনও কোনদিন তাদের উপর রাগান্বিত হবেন না।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০২
حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللهَ يَقُولُ لأَهْلِ الْجَنَّةِ: يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ يَقُولُونَ: لَبَّيْكَ، رَبَّنَا وَسَعْدَيْكَ فَيَقُولُ: هَلْ رَضِيتُمْ فَيَقُولُونَ: وَمَا لَنَا لاَ نَرْضى وَقَدْ أَعْطَيْتَنَا مَا لَمْ تُعْطِ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ فَيَقُولُ: أَنَا أُعْطِيكُمْ أَفْضَلَ مِنْ ذلِكَ قَالُوا: يَا رَبِّ وَأَيُّ شَيْءٍ أَفْضَلُ مِنْ ذَلِكَ فَيَقُولُ: أُحِلُّ عَلَيْكُمْ رِضْوَانِي، فَلاَ أَسْخَطُ عَلَيْكُمْ بَعْدَهُ أَبَدًا
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা জান্নাতীগণকে সম্বোধন করে বলবেন, হে জান্নাতীগণ! তারা জবাবে বলবে, হে আমাদের প্রভু! হাযির, আমরা আপনার সমীপে হাযির। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা বলবেন, তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ? তারা বলবে, আপনি আমাদেরকে এমন বস্তু দান করেছেন যা আপনার মাখ্লুকাতের ভিতর থেকে কাউকেই দান করেননি। অতএব আমরা কেন সন্তুষ্ট হব না? তখন তিনি বলবেন, আমি এর চেয়েও উত্তম কিছু তোমাদেরকে দান করব। তারা বলবে, প্রভু হে! এর চেয়েও উত্তম সে কোন্ বস্তু? আল্লাহ্ তা‘আলা বলবেন, তোমাদের ওপর আমি আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করব। এরপর আমি আর কখনও তোমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হব না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৬৫৪৯; মুসলিম, পর্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ২, হাঃ ২৮২৯
৫১/৩. অধ্যায়ঃ
জান্নাতবাসীরা বিশেষ বাসস্থানের লোকেদের সেভাবে দেখবে যেমন তোমরা আকাশে তারকা দেখে থাক।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০৩
حديث سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ لَيَتَرَاءَوْنَ الْغُرَفَ فِي الْجَنَّةِ، كَمَا تَتَرَاءَوْنَ الْكَوْكَبَ فِي السَّمَاءِ قَالَ: فَحَدَّثْتُ النُّعْمَانَ ابْنَ أَبِي عَيَّاشٍ فَقَالَ: أَشْهَدُ لَسَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ يُحَدِّثُ وَيَزِيدُ فِيهِ كَمَا تَرَاءَوْنَ الْكَوْكَبَ الْغَارِبَ فِي الأفُقِ الشَّرْقِيِّ وَالْغَرْبِيِّ
বর্ণনাকারী সাহল বিন সা’দ(রাঃ)
জান্নাতীরা জান্নাতে বালাখানাগুলো দেখতে পাবে,যেমন তোমরা আকাশে তারকাগুলো দেখতে পাও।(সানাদে অন্তর্ভুক্ত) রাবী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু‘মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, অবশ্যই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে আমি শুনেছি এবং এতে তিনি এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন “যেরূপ অস্তমান তারকাকে আকাশের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে তোমরা দেখে থাক।”
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮১ : সদয় হওয়া, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৬৫৫৬; মুসলিম, পর্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ৩, হাঃ ২৮৩০
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০৪
حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ يَتَرَاءَيُونَ أَهْلَ الْغُرَفِ مِنْ فَوْقِهِم كَمَا يَتَرَاءَيُونَ الْكَوْكَبَ الدُّرِّيَّ الْغَابِرَ فِي الأُفُقِ مِنَ الْمَشْرِقِ أَوِ الْمَغْرِبِ، لِتَفَاضُلِ مَا بَيْنَهُمْ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ تِلْكَ مَنَازِلُ الأَنْبِيَاءِ، لاَ يَبْلُغُهَا غَيْرُهُمْ قَالَ: بَلَى، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ رِجَالٌ آَمَنوا بِاللهِ، وَصَدَّقُوا الْمُرْسَلِينَ
বর্ণনাকারী আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, অবশ্যই জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের বালাখানার বাসিন্দাদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে উজ্জ্বল দীপ্তিমান নক্ষত্র দেখতে পাও। এটা হবে তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণে। সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! এ তো নবীগনেরজায়গা। তাদের ব্যতীত অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যেসব লোক আল্লাহ্র প্রতি ঈমান আনবে এবং রাসূলগণকে সত্য বলে স্বীকার করবে।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫৯; সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৮, হাঃ ৩২৫৬; মুসলিম, পর্ব ৫১ : জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ৩, হাঃ ২৮৩১
৫১/৬. অধ্যায়ঃ
যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় জ্বলজ্বল করবে, তাদের ও তাদের স্ত্রীদের বর্ণনা।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০৫
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ أَوَّلَ زُمْرَةٍ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، عَلَى أَشَدِّ كَوْكَبٍ دُرِّيٍّ فِي السَّمَاءِ إِضَاءَةً؛ لاَ يَبُولُونَ، وَلاَ يَتَغَوَّطُونَ، وَلاَ يَتْفِلُونَ، وَلاَ يَمْتَخِطُونَ أَمْشَاطُهُمُ الذَّهَبُ، وَرَشْحُهُمُ الْمِسْكُ، وَمَجَامِرُهُمُ الأَلُوَّةُ الأَنجُوجُ عُودُ الطِّيبِ وَأَزْوَاجُهُمُ الْحُورُ الْعِينُ عَلَى خَلْقِ رَجُلٍ وَاحِدٍ عَلَى صُورَةِ أَبِيهِمْ آدَمَ سِتُّونَ ذِرَاعًا فِي السَّمَاءِ
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সর্বপ্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চন্দ্রের মত উজ্জ্বল। অতঃপর যে দল তাদের অনুগামী হবে তাদের মুখমণ্ডল হবে আকাশের সর্বাধিক দীপ্তিমান উজ্জ্বল তারকার ন্যায়। তারা পেশাব করবে না, পায়খানা করবে না। তাদের থুথু ফেলার প্রয়োজন হবে না এবং তাদের নাক হতে শ্লেষ্মাও বের হবে না। তাদের চিরুণী হবে স্বর্ণের তৈরী। তাদের ঘাম হবে মিসকের মত সুগন্ধযুক্ত। তাদের ধনুচি হবে সুগন্ধযুক্ত চন্দন কাষ্ঠের। বড় চক্ষু বিশিষ্ট হুরগণ হবেন তাদের স্ত্রী। তাদের সকলের দেহের গঠন হবে একই। তারা সবাই তাদের আদি পিতা আদাম (‘আ.)-এর আকৃতিতে হবেন। উচ্চতায় তাদের দেহের দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬০: নাবীগণের (আঃ) হাদীসসমূহ, অধ্যায় ১, হাঃ ৩৩২৭; মুসলিম, পর্ব ৫১ : জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা, অধ্যায় ৬, হাঃ ২৮২৪
৫১/৯. অধ্যায়ঃ
জান্নাতের তাঁবুসমূহ এবং ওগুলোতে বসবাসরত বিশ্বাসীদের স্ত্রীগণ।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৮০৬
حديث أَبِي مُوسى الأَشْعَرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: الْخَيْمَةُ دُرَّةٌ مُجَوَّفَةٌ، طُولُهَا فِي السَّمَاءِ ثَلاَثُونَ مِيلاً فِي كُلِّ زَاوِيَةٍ مِنْهَا لِلْمُؤْمِنِ أَهْلٌ، لاَ يَرَاهُمُ الآخَرُونَ
বর্ণনাকারী আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘গুণসম্পন্ন মোতির তাঁবু থাকবে যার উচ্চতা ত্রিশ মাইল। এর প্রতিটি কোণে মু’মিনদের জন্য এমন স্ত্রী থাকবে যাদেরকে অন্যরা কখনো দেখেনি।’
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৯: সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৮, হাঃ ৩২৪৩; মুসলিম, পৰ্ব ৫১ : জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভােগ ও তার বাসিন্দা,অধ্যায় ৯, হাঃ ২৮৩৮