পোশাক ও অলঙ্কার
৩৭/১. অধ্যায়ঃ
পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্র ব্যবহার ও তা থেকে পানি পান করা নিষিদ্ধ।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৩৭
حديث أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: الَّذِي يَشْرَبُ فِي إِنَاءِ الْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ (রাঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়।
সহীহুল বুখারী, পূর্ব ৭৪ : পানীয়, অধ্যায় ২৮, হাঃ ৫৬৩৪; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১, হাঃ ২০৬৫
৩৭/২. অধ্যায়ঃ
পুরুষ ও মহিলাদের জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্র ব্যবহার হারাম এবং স্বর্ণের আংটি ও রেশমী বস্ত্র পুরুষের জন্য হারাম ও তা মহিলাদের জন্য বৈধ এবং রেশমী দ্বারা নকশা করা যার পরিমাণ চার আঙ্গুলের বেশি নয় তা পুরুষের জন্য বৈধ।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৩৮
حديث الْبَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِسَبْعٍ وَنَهَانَا عَنْ سَبْعِ: أَمَرَنَا بِعِيَادَةِ الْمَرِيضِ، وَاتِّبَاعِ الْجِنَازَةِ، وَتَشْمِيتِ الْعَاطِسِ، وَإِجَابَةِ الدَّاعِي، وَإِفْشَاءِ السَّلاَمِ، وَنَصْرِ الْمَظْلُومِ، وَإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ؛ وَنَهَانَا عَنْ خَوَاتِيمِ الذَّهَبِ، [ص: 32] وَعَنِ الشُّرْبِ فِي الْفِضَّةِ، أَوْ قَالَ: آنِيَةِ الْفِضَّةِ، وَعَنِ الْمَيَاثِرِ وَالْقَسِّيِّ، وَعَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالإِسْتَبْرَقِ
বর্ণনাকারী বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সাতটি জিনিসের হুকুম দিয়েছেন এবং সাতটি জিনিস থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের হুকুম দিয়েছেনঃ রোগীর সেবা করতে, জানাযার পেছনে যেতে, হাঁচি দানকারীর জবাব দিতে, দাওয়াতকারীর দাওয়াত গ্রহণ করতে, অধিক অধিক সালাম দিতে, মাযলুমের সাহায্য করতে এবং কসমকারীকে কসম ঠিক রাখার সুযোগ করে দিতে। আর আমাদের তিনি নিষেধ করছেনঃ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে, কিংবা তিনি বলেছেন, রূপার পাত্রে পানি পান করতে, মায়াসির অর্থাৎ এক জাতীয় নরম ও মসৃন রেশমী কাপড় কালসী অর্থাৎ রেশম মিশ্রিত কাপড় ব্যবহার করতে এবং পাতলা কিংবা মোটা এবং অলঙ্কার খচিত রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৪ : পানীয়, অধ্যায় ২৮, হাঃ ৫৬৩৫; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১, হাঃ ২০৬৬
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৩৯
حديث حُذَيْفَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، أَنَّهُمْ كَانُوا عِنْدَ حُذَيْفَةَ، فَاسْتَسْقَى، فَسَقَاهُ مَجُوسِيٌّ فَلَمَّا وَضَعَ الْقَدَحَ فِي يَدِهِ رَمَاهُ بِهِ، وَقَالَ: لَوْلاَ أَنِّي نَهَيْتُهُ غَيْرَ مَرَّةٍ وَلاَ مَرَّتَيْنِ كَأَنَّهُ يَقُولُ لَمْ أَفْعَلْ هذَا وَلكِنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لاَ تَلْبَسُوا الْحَرِيرَ وَلاَ الدِّيبَاجَ وَلاَ تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالفِضَّةِ، وَلاَ تَأْكُلُوا فِي صِحَافِهَا، فَإِنَّهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَنَا فِي الآخِرَةِ
বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ)
একবার তাঁরা হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলে এক অগ্নি উপাসক তাঁকে পানি এনে দিল। সে যখনই পাত্রটি তাঁর হাতে রাখল, তিনি সেটা ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন, আমি যদি একবার বা দুইবারের অধিক তাকে নিষেধ না করতাম, তাহলেও হতো। অর্থাৎ তিনি যেন বলতে চান, তা হলেও আমি এরূপ করতাম না। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা রেশম বা রেশম জাত কাপড় পরিধান করো না এবং সোনা ও রূপার পাত্রে পান করো না এবং এগুলোর বাসনে আহার করো না। কেননা পৃথিবীতে এগুলো কাফিরদের জন্য আর পরকালে তোমাদের জন্য।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭০: খাওয়া-খাদ্য, অধ্যায় ২৯, হাঃ ৫৪২৬; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১, হাঃ ২০৬৭
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪০
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَأَى حُلَّةَ سِيَرَاءَ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ لَوِ اشْتَرَيْتَ هذِهِ فَلَبِسْتَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَلِلْوَفْدِ إِذَا [ص: 33] قَدِمُوا عَلَيْكَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّمَا يَلْبَسُ هذِهِ مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ فِي الآخِرَةِثُمَّ جَاءَتْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مِنْهَا حُلَلٌ فَأَعْطَى عُمَرَ ابْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه مِنْهَا حُلَّةً فَقَالَ عُمَرُ: يَا رَسُولَ اللهِ كَسَوْتَنِيَهَا، وَقَدْ قُلْتَ فِي حُلَّةِ عُطَارِدٍ مَا قُلْتَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي لَمْ أَكْسُكَهَا لِتَلْبَسَهَا فَكَسَاهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، أَخًا لَهُ، بِمَكَّةَ، مُشْرِكًا
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ)
উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) মসজিদে নববীর দরজার নিকটে এক জোড়া রেশমী পোষাক (বিক্রি হতে) দেখে নবী (ﷺ)-কে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ)! যদি এটি আপনি খরিদ করতেন আর জুমু‘আহ’র দিন এবং যখন আপনার নিকট প্রতিনিধি দল আসে তখন আপনি তা পরিধান করতেন। তখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বললেনঃ এটা তো সে ব্যক্তিই পরিধান করে, আখিরাতে যার (মঙ্গলের) কোন অংশ নেই।অতঃপর আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এ ধরনের কয়েক জোড়া পোষাক আসে, তখন তার এক জোড়া তিনি ‘উমার (রাঃ)-কে প্রদান করেন। ‘উমার (রাঃ) আরয করলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ)! আপনি আমাকে এটি পরিধান করতে দিলেন অথচ আপনি উতারিদের (রেশম) পোষাক সম্পর্কে যা বলার তা তো বলেছিলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বললেনঃ আমি তোমাকে এটি নিজের পরিধানের জন্য প্রদান করিনি। ‘উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) তখন এটি মাক্কায় তাঁর এক ভাইকে দিয়ে দেন, যে তখন মুশরিক ছিল।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১১ : জুমুআহ, অধ্যায় ৭, হাঃ ৮৮৬; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১, হাঃ ২০৬৮
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪১
حديث عُمَرَ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النّهْدِيِّ، قَالَ: أَتَانَا كِتَابُ عُمَرَ مَع عُتْبَةَ بْنِ فَرْقَدٍ، بِأَذْرَبِيجَانَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، نَهى عَنِ الْحَرِيرِ إِلاَّ هكَذَا؛ وَأَشَارَ بِإِصْبَعَيْهِ اللَّتَيْنِ تَلِيَانِ الإِبْهَامَ، قَالَ: فِيمَا عَلِمْنَا، أَنَّهُ يَعْنِي الأَعْلاَمَ
বর্ণনাকারী ক্বাতাদাহ (রাঃ)
আবূ ‘উসমান নাহদী (রাঃ)-এর থেকে বলেনঃ আমাদের কাছে ‘উমার (রাঃ)-এর থেকে এক পত্র আসে, এ সময় আমরা ‘উত্বাহ ইবনু ফারকাদের সঙ্গে আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। (তাতে লেখা ছিল :) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, তবে এতটুকু এবং ইশারা করলেন, বৃদ্ধ আঙ্গুলের সাথে মিলিত দুইআঙ্গুল দ্বারা (বর্ণনাকারী বলেন :) আমরা বুঝলাম যে (বৈধতার পরিমাণ) জানিয়ে তিনি পাড় ইত্যাদি উদ্দেশ্য করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৭৭ : পোশাক, অধ্যায় ২৫, হাঃ ৫৮২৮; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় হাঃ ২০৬৯
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪২
حديث عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: أَهْدَى إِلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حُلَّةَ سِيَرَاءَ فَلَبِسْتُهَا، فَرَأَيْتُ الْغَضَبَ فِي وَجْهِهِ، فَشَقَقْتُهَا بَيْنَ نِسَائِي
বর্ণনাকারী আলী (রাঃ)
নবী (ﷺ) আমাকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন। আমি তা পরিধান করলাম। তাঁর মুখমণ্ডলে গোস্বার ভাব দেখতে পেয়ে আমি আমার মহিলাদের মাঝে তা ভাগ করে দিয়ে দিলাম।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫১ : হিবা এর ফাযীলাত এবং এর জন্য উদ্বুদ্ধ করা, অধ্যায় ২৭, হাঃ ২৬১৪; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১, হাঃ ১০৭১
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪৩
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَنْ لَبِسَ الْحَرِيرَ فِي الدُّنْيَا فَلَنْ يَلْبَسَهُ فِي الآخِرَةِ
বর্ণনাকারী আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
শু’বাহ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এ কথা কি নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত? তিনি জোর দিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ। নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা কখনও পরিধান করতে পারবে না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৭৭ : পোশাক, অধ্যায় ২৫, হাঃ ৫৮৩২; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় হাঃ ৬০৭৩
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪৪
حديث عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ: أُهْدِيَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُّوجُ حَرِيرٍ، فَلَبِسَهُ فَصَلّى فِيهِ، ثُمَّ انْصَرَفَ فَنَزَعَهُ نَزْعًا شَدِيدًا كَالْكَارِهِ لَهُ وَقَالَ: لاَ يَنْبَغِي هذَا لِلْمُتَّقِينَ
বর্ণনাকারী উকবাহ ইব্নু ‘আমির (রাঃ)
নবী (ﷺ)-কে একটা রেশমী জুব্বা হাদিয়া হিসেবে দেয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে সলাত আদায় করলেন। কিন্তু সালাত শেষ হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত তা খুলে ফেললেন, যেন তিনি তা পরা অপছন্দ করছিলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্যে এ পোশাক সমীচীন নয়।*
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮; সালাত, অধ্যায় ১৬, হাঃ ৩৭৫; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ১৫, হাঃ ২০৭৫*পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় পরিধান হারাম হওয়ার পূর্বের ঘটনা এটি।
৩৭/৩. অধ্যায়ঃ
চুলকানি বা চর্মরোগের কারণে পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় ব্যবহার বৈধ।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪৫
حديث أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَخَّصَ لِعَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ عَوْفٍ وَالزُّبَيْرِ فِي قَمِيصٍ مِنْ حَرِيرٍ، مِنْ حَكَّةٍ كَانَتْ بِهِمَا
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ‘আবদুর রহমান ইব্নু ‘আওফ (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ)-কে তাদের শরীরে চুলকানি থাকায় রেশমী জামা পরিধান করতে অনুমতি দিয়েছিলেন।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫৬ : জিহাদ ও যুদ্ধাভিযান, অধ্যায় ৯১, হাঃ ২৯১৯; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ৩, হাঃ ২০৭৬
৩৭/৫. অধ্যায়ঃ
হিবরা কাপড় পরিধানের মর্যাদা।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ১৩৪৬
حديث أَنَسٍ عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: قلْتُ لَهُ: أَيُّ الثِّيَابِ كَانَ أَحَبَّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: الْحِبَرَةُ
বর্ণনাকারী ক্বাতাদাহ (রাঃ)
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ কোন্ জাতীয় কাপড় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অধিক প্রিয় ছিল? তিনি বললেনঃ হিবারা-ইয়ামনী চাদর।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৭৭: পোশাক, অধ্যায় ১৮, হাঃ ৫৮১২; মুসলিম, পর্ব ৩৭: পোষাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ৫, হাঃ ২০৭৯