কলহ-বিপর্যয়
৩৬/৯. অধ্যায়ঃ
যেসব বিপর্যয় সংঘটিত হবে
সুনানে ইবনে মাজাহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَأَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عُمَرَ فَقَالَ أَيُّكُمْ يَحْفَظُ حَدِيثَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي الْفِتْنَةِ قَالَ حُذَيْفَةُ فَقُلْتُ أَنَا . قَالَ إِنَّكَ لَجَرِيءٌ قَالَ كَيْفَ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ " فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَوَلَدِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصِّيَامُ وَالصَّدَقَةُ وَالأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّهْىُ عَنِ الْمُنْكَرِ " . فَقَالَ عُمَرُ لَيْسَ هَذَا أُرِيدُ إِنَّمَا أُرِيدُ الَّتِي تَمُوجُ كَمَوْجِ الْبَحْرِ . فَقَالَ مَالَكَ وَلَهَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ بَيْنَكَ وَبَيْنَهَا بَابًا مُغْلَقًا . قَالَ فَيُكْسَرُ الْبَابُ أَوْ يُفْتَحُ قَالَ لاَ بَلْ يُكْسَرُ . قَالَ ذَاكَ أَجْدَرُ أَنْ لاَ يُغْلَقَ . قُلْنَا لِحُذَيْفَةَ أَكَانَ عُمَرُ يَعْلَمُ مَنِ الْبَابُ قَالَ نَعَمْ كَمَا يَعْلَمُ أَنَّ دُونَ غَدٍ اللَّيْلَةَ إِنِّي حَدَّثْتُهُ حَدِيثًا لَيْسَ بِالأَغَالِيطِ . فَهِبْنَا أَنْ نَسْأَلَهُ مَنِ الْبَابُ فَقُلْنَا لِمَسْرُوقٍ سَلْهُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ عُمَرُ .
বর্ণনাকারী হুযায়ফাহ (রাঃ)
আমরা উমর (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিপর্যয় সম্পর্কে যেসব কথা বলে গেছেন, তোমাদের মধ্যে কে সেগুলো অধিক স্মরণ রাখতে পেরেছে?” হুযাইফা (রাঃ) বলেন, “আমি বললাম, আমি।” উমর (রাঃ) বলেন, “তুমি তো অবশ্যই বাহাদুর ছিলে।” তিনি আরও বলেন, “তা কিরূপ?”তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: কোন ব্যক্তির পরিবার-পরিজনে, সন্তান ও প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে যে বিপদ অর্থাৎ ত্রুটিবিচ্যুতি হয়, এগুলোর কাফফারা হলো নামাজ, রোজা, দান-খয়রাত, ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে বাধা প্রদান।”উমর (রাঃ) বলেন, “আমি এ ফিতনা সম্পর্কে জানতে চাইনি। আমি সেই ফিতনা সম্পর্কে জানতে চাই যা সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় মাথা তুলে আসবে।” হুযাইফা (রাঃ) বলেন, “হে আমীরুল মুমিনীন! এই ফিতনা ও আপনার মধ্যে কী সম্পর্ক? আপনার ও সেই ফিতনার মাঝখানে একটি বন্ধ দরজা আছে।” উমর (রাঃ) বলেন, “সে দরজাটি কি ভাঙ্গা হবে, না খুলে দেয়া হবে?” হুযাইফা (রাঃ) বলেন, “না, বরং তা ভাঙ্গা হবে।” উমর (রাঃ) বলেন, “অতঃপর তা তো আর বন্ধ হওয়ার নয়।”শকিক (রাঃ) বলেন, “আমরা হুযাইফা (রাঃ)-কে বললাম, উমর (রাঃ) কি সেই দরজা সম্পর্কে জানতেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এতটা জানতেন যেমনিভাবে আগামী কালকের দিন গত হওয়ার পর রাত আসা সম্পর্কে জানতেন। আমি তার নিকট একটি হাদিস বর্ণনা করেছি, যা ছিল নির্ভুল। অতঃপর আমরা হুযাইফা (রাঃ)-কে সেই দরজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে ভয় পাচ্ছিলাম। আমরা মাসরূক (রাঃ)-কে বললাম, আপনি তাকে জিজ্ঞেস করুন।” তিনি হুযাইফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “সেই দরজাটি ছিলেন উমর (রাঃ)।”
[৩২৮৭] সহীহুল বূখারী ৫২৫, মুসলিম ১৪৪, তিরমিযী ২২৫৮, আহমাদ ২২৭৬৯, ২২৯০৩, ২২৯৩০। তাখরীজু ফিকহুস সায়রাহ ৬৪৩।