আহার ও তার শিষ্টাচার

২৯/৫৭. অধ্যায়ঃ

গোশ্‌ত ও ঘি একত্রে মিশিয়ে খাওয়া

সুনানে ইবনে মাজাহ

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَرْحَبِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي الْيَعْفُورِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ دَخَلَ عَلَيْهِ عُمَرُ وَهُوَ عَلَى مَائِدَتِهِ فَأَوْسَعَ لَهُ عَنْ صَدْرِ الْمَجْلِسِ فَقَالَ بِسْمِ اللَّهِ ‏.‏ ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ فَلَقِمَ لُقْمَةً ثُمَّ ثَنَّى بِأُخْرَى ثُمَّ قَالَ إِنِّي لأَجِدُ طَعْمَ دَسَمٍ مَا هُوَ بِدَسَمِ اللَّحْمِ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنِّي خَرَجْتُ إِلَى السُّوقِ أَطْلُبُ السَّمِينَ لأَشْتَرِيَهُ فَوَجَدْتُهُ غَالِيًا فَاشْتَرَيْتُ بِدِرْهَمٍ مِنَ الْمَهْزُولِ وَحَمَلْتُ عَلَيْهِ بِدِرْهَمٍ سَمْنًا فَأَرَدْتُ أَنْ يَتَرَدَّدَ عِيَالِي عَظْمًا عَظْمًا ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ مَا اجْتَمَعَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَطُّ إِلاَّ أَكَلَ أَحَدَهُمَا وَتَصَدَّقَ بِالآخَرِ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ خُذْ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَلَنْ يَجْتَمِعَا عِنْدِي إِلاَّ فَعَلْتُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَا كُنْتُ لأَفْعَلَ ‏.‏

বর্ণনাকারী উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)

(ইবনু উমর (রাঃ)) বলেন যে, তিনি আহাররত অবস্থায় উমর (রাঃ) তার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি তাকে আহারের মজলিসে মধ্যখানে জায়গা করে দিলেন।তিনি বিসমিল্লাহ বলে খাবারের পাত্রে হাত দিলেন এবং এক গ্রাস তুলে দিলেন, অতঃপর দ্বিতীয় গ্রাস তুলে নিয়ে বলেনঃ আমি তৈলাক্ত জিনিসের স্বাদ পাচ্ছি এবং তা গোশতের চর্বি নয়।আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন! আমি মোটা গোশত ক্রয়ের উদ্দেশে বাজারে গিয়েছিলাম, কিন্তু তার চড়া দাম দেখে এক দিরহামের শীর্ণকায় পশুর গোশত ক্রয় করে এবং এক দিরহামের ঘি ক্রয় করে তা ঐ গোশতের মধ্যে ঢেলে দিয়েছি। আমি চাচ্ছিলাম যে, পরিবারের সকলের ভাগে অন্তত একটি করে হাড় পড়ুক।উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট ঘি ও গোশত একত্রে উপস্থিত করা হলে, তিনি তার একটি আহার করতেন এবং অন্যটি দান খয়রাত করতেন।আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন! আহার করুন। পুনরায় কখনো ঘি ও গোশত একত্র হলে আমি তাই করবো।উমর (রাঃ) বলেন, আমি কখনও খাবো না।

[৩৩৬১] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ইয়াহইয়া বিন আবদুর রহমান আল-আরহাবী সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সত্যবাদী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৮৭০, ৩১/৪৩৮ নং পৃষ্ঠা) ২. ইউনুস বিন আবুল ইয়াফুর সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তার সম্পর্কে আমার ধারনা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি দুর্বল। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭১৮৯, ৩২/৫৫৮ নং পৃষ্ঠা)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18