রক্তপণ
২১/৮. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি নিহতের ওয়ারিসগণকে কিসাস অথবা দিয়াতের মধ্যে যে কোন একটি গ্রহনে বাধা দেয়
সুনানে ইবনে মাজাহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ قَتَلَ فِي عِمِّيَّةٍ أَوْ عَصَبِيَّةٍ بِحَجَرٍ أَوْ سَوْطٍ أَوْ عَصًا فَعَلَيْهِ عَقْلُ الْخَطَإِ وَمَنْ قَتَلَ عَمْدًا فَهُوَ قَوَدٌ وَمَنْ حَالَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ " .
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি অন্ধ বিদ্বেষ অথবা গোত্রীয় বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে পাথর, চাবুক অথবা লাঠির আঘাতে হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তার উপর কতলে খাতার দিয়াত ধার্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার উপর কিসাস বাধ্যকর হবে। আর যে ব্যক্তি হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসদের মধ্যে প্রতিবন্ধক হবে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতাদের এবং মানবজাতির অভিসম্পাত। তার নফল অথবা ফরজ কোনো ইবাদতই কবুল হবে না।
নাসায়ী ৪৭৮৯, ৪৭৯০,আবূ দাউদ ৪৫৩৯, সহীহ আল জামি' আস-সগীর ৬৪৫০, ৬৪৫১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ লিগায়রিহী।