ভূমিকা

০/৩৭. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি কুরআন মাজীদ শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয় তার সম্মান

সুনানে ইবনে মাজাহ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دِينَارٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَاذَانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَحَفِظَهُ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ وَشَفَّعَهُ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ كُلُّهُمْ قَدِ اسْتَوْجَبُوا النَّارَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আলী বিন আবু তালিব (রাঃ)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং তা কণ্ঠস্থ করে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাকে তার পরিবারের এমন দশজন লোকের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন যাদের সকলের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেছে।

[২১৪] তিরমিযী ২৯০৫, আহমাদ ১২৭১। তাহক্বীক্ব আলবানী: খুবই দুর্বল। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ২১৪১, তালীকুল রগীব ২/২১০। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আবু উমার সম্পর্কে ওয়াকী ইবনুল জাররাহ সিকাহ বললেও আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন তিনি মিথ্যুক। আলী ইবনুল মাদীনী তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বুখারী তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২. কাসীর বিন যাযান সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন আমি তাকে চিনি না। আবু হাতিম ও আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। আল আযদী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। ইমাম যাহাবী বলেন তার থেকে দলীল গ্রহণযোগ্য নয়।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18