তালাক

১০/১. অধ্যায়ঃ

ঘৃণ্য বৈধ বিষয়।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০১৬

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ وَمَسْرُوقُ بْنُ الْمَرْزُبَانِ قَالُوا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ صَالِحِ بْنِ صَالِحِ بْنِ حَيٍّ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم طَلَّقَ حَفْصَةَ ثُمَّ رَاجَعَهَا

বর্ণনাকারী উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাফসা (রাঃ)-কে তালাক দেন, অতঃপর তাকে ফিরিয়ে নেন।

[২০১৬] আবূ দাউদ ২২৮৩, দারেমী ২২৬৪, ইরওয়া ২০৭৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মাসরুক ইবনুল মারযুবান সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। সালিহ বিন মুহাম্মাদ বলেন, তিনি সত্যবাদী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯০৪, ২৭/৪৫৮ নং পৃষ্ঠা)

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০১৭

- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَلْعَبُونَ بِحُدُودِ اللهِ يَقُولُ أَحَدُهُمْ قَدْ طَلَّقْتُكِ قَدْ رَاجَعْتُكِ قَدْ طَلَّقْتُكِ

বর্ণনাকারী আবু মুসা (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, লোকদের কি হলো যে, তারা আল্লাহর বিধান নিয়ে ছিনি মিনি খেলছে? তোমাদের কেউ বলে, তোমাকে তালাক দিলাম, তোমাকে আবার ফিরিয়ে নিলাম, তোমাকে আবার তালাক দিলাম।

[২২১৭] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। যঈফাহ ৪৪৩১। তাহকীক আলবানীঃ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী মুআম্মাল (বিন ইসমাইল) সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও ইসহাক বিন রাহওয়াহ বলেন, তিনি সিকাহ। মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ কিন্তু হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আস-সাজী বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল ও সন্দেহ করেন। ইবনু কানি' বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৩১৯, ২৯/১৭৬ নং পৃষ্ঠা)

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০১৮

- حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ الْحِمْصِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ الْوَلِيدِ الْوَصَّافِيِّ عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَبْغَضُ الْحَلَالِ إِلَى اللهِ الطَّلَاقُ

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহর নিকট সর্বাধিক ঘৃণ্য হালাল কাজ হচ্ছে তালাক।

[২০১৮] আবূ দাউদ ২১৭৮, ইরওয়া ২০৪০, যইফ আবু দাউদ ৩৭৩-৩৭৪, আর-রাদ্দু আলাল বালীক ১১৩। তাহকীক আলবানীঃ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী উবায়দুল্লাহ ইবনুল ওয়ালীদ আল-ওয়াসসাফী সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক দুর্বল। আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম আর-রাযী, আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু হাতিম বিন হিব্বান ও ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬৯৪, ১৯/১৭৩ নং পৃষ্ঠা)

১০/২. অধ্যায়ঃ

যথার্থ নিয়মে তালাক।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০১৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ طَلَّقْتُ امْرَأَتِي وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ طَلَّقَهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَهَا فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللهُ

বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)

তিনি বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দিলে পর উমর (রাঃ) বিষয়টা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর গোচরে আনেন। তিনি বলেনঃ তাকে নির্দেশ দাও, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়, যতক্ষণ না সে পবিত্র অবস্থায় ফিরে আসে, অতঃপর পুনরায় তার মাসিক ঋতু হয়, অতঃপর পবিত্র অবস্থায় ফিরে আসে। অতঃপর সে চাইলে তাকে তালাক দিতে পারে তার সাথে সহবাস করার পূর্বে। আর চাইলে সে তাকে স্ত্রী হিসাবে রেখেও দিতে পারে। এই হলো সেই ইদ্দত যা পালনের জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন।

[২০১৯] সহীহুল বুখারী ৪৯০৮, ৫২৫২, ৫২৫৩, ৫২৫৮, ৫৩৩২, ৬০৩৩, ৭১৬০, মুসলিম ১৪৭১, তিরমিযী ১১৭৫, ১১৭৬, নাসায়ী ৩৩৮৯, ৩৩৯০, ৩৩৯১, ৩৩৯২, ৩৩৯৬, ৩৩৯৭, ৩৩৯৮, ৩৩৯৯, ৩৪০০, ৩৫৫৫, ৩৪৪৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৭, ৩৫৫৮, ৩৫৫৯, আবূ দাউদ ২১৭৯, ২১৮১, ২১৮২, ২১৮৪, ২১৮৫, আহমাদ ৪৪৮৬, ৪৭৭৪, ৫০০৫, ৫১০০, ৫১৫২, ৫২০৬, ৫২৪৬, ৫২৭৭, ৫২৯৯, ৫৪১০, ৫৪৬৫, ৫৪৮০, ৫৪৯৯, ৫৫০০, ৫৭০৮, ৬০২৫, ৬০৮৪, ৬১০৬, ৬২৯৩, মুয়াত্তা মালেক ১২২০, ২২৬২, ২২৬৩, ইরওয়াহ ২০৫৯, সহীহ আবী দাউদ ১৮৯২, ১৮৯৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২০

- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ طَلَاقُ السُّنَّةِ أَنْ يُطَلِّقَهَا طَاهِرًا مِنْ غَيْرِ جِمَاعٍ.

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ)

তিনি বলেন, সহবাসমুক্ত পবিত্র অবস্থায় (তুহরে) তালাক প্রদান হচ্ছে যথার্থ নিয়মের (সুন্নাত) তালাক।

[২০২০] ইবনু মাজাহ ২০২১, নাসায়ী ৩৩৯৪, ৩৩৯৫, ইরওয়াহ ২০৫১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২১

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ فِي طَلَاقِ السُّنَّةِ يُطَلِّقُهَا عِنْدَ كُلِّ طُهْرٍ تَطْلِيقَةً فَإِذَا طَهُرَتْ الثَّالِثَةَ طَلَّقَهَا وَعَلَيْهَا بَعْدَ ذَلِكَ حَيْضَةٌ.

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (রাঃ)

তিনি সুন্নাত (যথার্থ নিয়মের) তালাক সম্পর্কে বলেন, স্বামী স্ত্রীকে তার (সহবাসমুক্ত) প্রতি তুহরে এক তালাক দিবে এবং সে তৃতীয় তুহরে পৌঁছলে তাকে শেষ তালাক দিবে। এরপর সে এক হায়েয কাল ইদ্দত পালন করবে।

[২০২১] ইবনু মাজাহ ২০২০, নাসায়ী ৩৩৯৪, ৩৩৯৫, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ্।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২২

- حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ أَبِي غَلَّابٍ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَقَالَ تَعْرِفُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَأَتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا قُلْتُ أَيُعْتَدُّ بِتِلْكَ قَالَ أَرَأَيْتَ إِنْ عَجَزَ وَاسْتَحْمَقَ

বর্ণনাকারী য়ূনুস

আমি ইবনু উমর (রাঃ) কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে তার স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তিনি বলেন, তুমি আবদুল্লাহ ইবন উমরকে চেন? সে তার স্ত্রীকে তার মাসিক ঋতু চলাকালে তালাক দিয়েছিল। উমর (রাঃ) নবী (ﷺ) এর কাছে আসলে তিনি তাকে নির্দেশ দেন: সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি তালাক হিসেবে গণনায় ধরা হবে? তিনি বলেন, তুমি কি মনে কর, সে যদি অক্ষম হয়ে থাকে, আর আহমকি করে (তাহলে কে দায়ী?)!

[২০২২] সহীহুল বুখারী ৪৯০৮, ৫২৫২, ৫২৫৩, ৫২৫৮, ৫৩৩২, ৬০৩৩, ৭১৬০, মুসলিম ১৪৭১, তিরমিযী ১১৭৫, ১১৭৬, নাসায়ী ৩৩৮৯, ৩৩৯০, ৩৩৯১, ৩৩৯২, ৩৩৯৬, ৩৩৯৭, ৩৩৯৮, ৩৩৯৯, ৩৪০০, ৩৫৫৫, ৩৪৪৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৭, ৩৫৫৮, ৩৫৫৯, আবূ দাউদ ২১৭৯, ২১৮১, ২১৮২, ২১৮৪, ২১৮৫, আহমাদ ৪৪৮৬, ৪৭৭৪, ৫০০৫, ৫১০০, ৫১৫২, ৫২০৬, ৫২৪৬, ৫২৭৭, ৫২৯৯, ৫৪১০, ৫৪৬৫, ৫৪৮০, ৫৪৯৯, ৫৫০০, ৫৭০৮, ৬০২৫, ৬০৮৪, ৬১০৬, ৬২৯৩, মুয়াত্তা মালেক ১২২০, ২২৬২, ২২৬৩, ইরওয়াহ ৭/১৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

১০/৩. অধ্যায়ঃ

গর্ভবতী মহিলাকে তালাক প্রদান।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ يُطَلِّقْهَا وَهِيَ طَاهِرٌ أَوْ حَامِلٌ

বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)

তিনি তার স্ত্রীকে হায়জ অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। উমর (রাঃ) বিষয়টি নবী (ﷺ)-এর নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেনঃ তাকে বলো, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়, এরপর সে চাইলে তাকে তুহর অথবা গর্ভবতী অবস্থায় তালাক দেয়।

[২০২৩] সহীহুল বুখারী ৪৯০৮, ৫২৫২, ৫২৫৩, ৫২৫৮, ৫৩৩২, ৬০৩৩, ৭১৬০, মুসলিম ১৪৭১, তিরমিযী ১১৭৫, ১১৭৬, নাসায়ী ৩৩৮৯, ৩৩৯০, ৩৩৯১, ৩৩৯২, ৩৩৯৬, ৩৩৯৭, ৩৩৯৮, ৩৩৯৯, ৩৪০০, ৩৫৫৫, ৩৪৪৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৭, ৩৫৫৮, ৩৫৫৯, আবূ দাউদ ২১৭৯, ২১৮১, ২১৮২, ২১৮৪, ২১৮৫, আহমাদ ৪৪৮৬, ৪৭৭৪, ৫০০৫, ৫১০০, ৫১৫২, ৫২০৬, ৫২৪৬, ৫২৭৭, ৫২৯৯, ৫৪১০, ৫৪৬৫, ৫৪৮০, ৫৪৯৯, ৫৫০০, ৫৭০৮, ৬০২৫, ৬০৮৪, ৬১০৬, ৬২৯৩, মুয়াত্তা মালেক ১২২০, ২২৬২, ২২৬৩, ইরওয়াহ ৭/১২৬, ১৩০, সহীহ, আবী দাউদ ১৮৯৪। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

১০/৪. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি একই মজলিসে তিন তালাক দেয়।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ قَالَ قُلْتُ لِفَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ حَدِّثِينِي عَنْ طَلَاقِكِ قَالَتْ طَلَّقَنِي زَوْجِي ثَلَاثًا وَهُوَ خَارِجٌ إِلَى الْيَمَنِ فَأَجَازَ ذَلِكَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم

বর্ণনাকারী আমির

আমি ফাতিমা বিনত কায়েস (রাঃ) কে বললাম, আপনার তালাকের ঘটনাটি আমাকে বলুন। তিনি বলেন, আমার স্বামী ইয়ামানে থাকা অবস্থায় আমাকে তিন তালাক দেয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটিকে জায়েয বলে গণ্য করেন।

[২০২৪] ইবনু মাজাহ ২০৩২, ২০৩৩, মুসলিম ১৪৮০, সহীহ আবী দাউদ ১৯৭৬-১৯৮২, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইসহাক বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল জুরজানী বলেন, তার সানাদ মা মাতান কোনটিরই কেউ অনুসরণ করেননি। আবু বকর আল বুরকানী ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি মাতরুক বা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আবু বকর আল-বাযযার বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু ইয়ালা আল খালীলী বলেন, তিনি খুবই দুর্বল। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬৭, ২/৪৪৬ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু ইসহাক বিন আবদুল্লাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৯ টি শাহিদ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ দারাকুতনী ৩৮৭২, ৩৮৭৭।

১০/৫. অধ্যায়ঃ

তালাক দেয়ার পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়া (রাজআত) ।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ২০২৫

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلَالٍ الصَّوَّافُ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيُّ عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الشِّخِّيرِ أَنَّ عِمْرَانَ بْنَ الْحُصَيْنِ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثُمَّ يَقَعُ بِهَا وَلَمْ يُشْهِدْ عَلَى طَلَاقِهَا وَلَا عَلَى رَجْعَتِهَا فَقَالَ عِمْرَانُ طَلَّقْتَ بِغَيْرِ سُنَّةٍ وَرَاجَعْتَ بِغَيْرِ سُنَّةٍ أَشْهِدْ عَلَى طَلَاقِهَا وَعَلَى رَجْعَتِهَا.

বর্ণনাকারী ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ)

তাকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে তার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর তার সাথে সহবাস করেছে, কিন্তু তাকে তালাক দেয়া এবং ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে কোনো সাক্ষী রাখেনি। ইমরান (রাঃ) বলেন, তুমি সুন্নাত নিয়মের বহির্ভূত তালাক দিয়েছো এবং সুন্নাত নিয়মের বহির্ভূত ফিরিয়ে নিয়েছো। তুমি তাকে তালাক দেয়া ও ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সাক্ষী রাখো।

[২০২৫] আবূ দাউদ ২১৮৬, ইরওয়াহ ২০৭৮, সহীহ আবী দাউদ ১৮৯৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18