শাসন অধ্যায়

১৮/১১. অধ্যায়ঃ

মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ

মহান আল্লাহ বলেন,وَاجْتَنِبوا قَوْلَ الزُّورِঅর্থাৎ, তোমরা মিথ্যা কথন থেকে দূরে থাক। (সূরা হজ্জ ৩০ আয়াত) তিনি আরো বলেন,وَلاَ تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ অর্থাৎ, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়ো না। (সূরা ইসরা ৩৬ আয়াত)তিনি আরো বলেছেন, مَا يَلْفِظُ مِنْ قَولٍ إِلاَّ لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ অর্থাৎ, মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে। (ক্বাফ ১৮ আয়াত)আল্লাহ তাআলা বলেছেন,إنَّ رَبَّكَ لبالمِرْصَادِ অর্থাৎ, নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক সময়ের প্রতীক্ষায় থেকে সতর্ক দৃষ্টি রাখেন। (সূরা ফাজ্র ১৬ আয়াত)তিনি আরো বলেছেন,وَالَّذِينَ لاَ يَشْهَدُونَ الزُّورَ অর্থাৎ, (তারাই পরম দয়াময়ের দাস) যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় না। (সূরা ফুরক্বান ৭২ আয়াত)

হাদিস সম্ভার

وَعَنْ أَبي بَكْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَلاَ أُنَبِّئُكُمْ بِأَكْبَرِ الكَبَائِرِ ؟ قُلْنَا : بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ قَالَالإِشْرَاكُ بِاللهِ وعُقُوقُ الوَالِدَيْنِ وَكَانَ مُتَّكِئاً فَجَلَسَ فَقَالَأَلاَ وَقَولُ الزُّورِ فَمَا زَالَ يُكَرِّرُهَا حَتَّى قُلنَا : لَيْتَهُ سَكَتَ متفق عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী আবূ বাকরাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমাদেরকে কি অতি মহাপাপের কথা বলে দেব না?” আমরা বললাম, ‘অবশ্যই বলুন হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করা এবং মাতা-পিতার অবাধ্যাচরণ করা।” তারপর তিনি হেলান ছেড়ে উঠে বসলেন এবং বললেন, “শোন! আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।” শেষোক্ত কথাটি তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি অনুরূপ বলাতে আমরা (মনে মনে) বললাম, ‘যদি তিনি চুপ হতেন।’ (বুখারী ২৬৫৪, ৬৯১৯, ৫৯৭৬, মুসলিম ২৬৯, তিরমিযী)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18