হক ও অধিকার অধ্যায়
১৭/৩. অধ্যায়ঃ
আত্মীয়তা অক্ষুন্ন রাখার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার
وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ : لَمَّا نَزَلَت هَذِهِ الآيَةُ وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ دَعَا رَسُولُ الله صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قُرَيْشاً فَاجْتَمَعُوا فَعَمَّ وَخَصَّ وَقالَيَا بَنِي عَبْدِ شَمْسٍ يا بَنِي كَعْبِ بْنِ لُؤَيٍّ أنقِذُوا أنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ يَا بَنِي مُرَّةَ بنِ كَعْبٍ أنْقِذُوا أنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ يَا بَنِي عَبْدِ مَنَاف أنْقِذُوا أنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ يَا بَنِي هَاشِم أَنقِذُوا أَنفُسَكُم مِنَ النَّار يَا بَني عَبدِ الْمُطَّلِب أَنقِذُوا أَنفُسَكُم مِنَ النَّار يَا فَاطِمَةُ أنْقِذِي نَفْسَكِ مِنَ النَّارِ فَإنِّي لاَ أمْلِكُ لَكُمْ مِنَ اللهِ شَيئاً غَيْرَ أنَّ لَكُمْ رَحِماً سَأبُلُّهَا بِبِلالِهَارواه مسلم
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল যার অর্থ হল, “তুমি তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক কর।” (সূরা শুআরা ২১৪ আয়াত) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরায়েশ (সম্প্রদায়) কে আহবান করলেন। সুতরাং তারা একত্রিত হল। অতঃপর তিনি সাধারণ ও বিশেষভাবে (সম্বোধন ক’রে) বললেন, “হে বানী আব্দে শাম্স! হে বানী কা’ব ইবনে লুআই! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী মুর্রাহ ইবনে কা’ব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দে মানাফ! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী হাশেম! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দিল মুত্তালিব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে ফাতেমা! তুমি নিজেকে দোযখ থেকে বাঁচাও। কারণ, আমি আল্লাহর নিকট তোমাদের (উপকার-অপকার) কিছুরই মালিক নই। তবে তোমাদের সাথে (আমার) যে আত্মীয়তা রয়েছে তা আমি (দুনিয়াতে) অবশ্যই আর্দ্র রাখব। (পরকালে আমার আনুগত্য ছাড়া আত্মীয়তা কোন কাজে আসবে না।)” (মুসলিম ৫২২ নং)
* উক্ত হাদীসে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করাকে আগুনের সাথে উপমা দেওয়া হয়েছে, যা পানি দিয়ে নিভাতে হয়। তাই আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখাকে তা আর্দ্র বা ভিজে রাখা বলা হয়েছে।