হক ও অধিকার অধ্যায়
১৭/৩. অধ্যায়ঃ
আত্মীয়তা অক্ষুন্ন রাখার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার
وَعَن أُمِّ الْمُؤمِنِينَ مَيمُونَةَ بِنتِ الحَارِثِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُا: أنَّهَا أعْتَقَتْ وَلِيدَةً وَلَمْ تَستَأذِنِ النَّبيَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَلَمَّا كَانَ يَوْمُهَا الَّذِي يَدُورُ عَلَيْهَا فِيهِ، قَالَتْ: أشَعَرْتَ يَا رَسُولَ اللهِ، أنِّي أعتَقْتُ وَلِيدَتِي؟ قَالَ أَوَ فَعَلْتِ؟ قَالَتْ: نَعَمْ قَالَ أما إنَّكِ لَوْ أعْطَيْتِهَا أخْوَالَكِ كَانَ أعْظَمَ لأََِجْرِكِ مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
বর্ণনাকারী উম্মুল মু’মেনীন মায়মূনাহ বিনতে হারেষ (রাঃ)
তিনি তাঁর একটি ক্রীতদাসীকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অনুমতি না নিয়েই মুক্ত করলেন। অতঃপর যখন ঐ দিন এসে পৌঁছল, যেদিন তাঁর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর যাওয়ার পালা, তখন মায়মূনাহ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যে আমার ক্রীতদাসীকে মুক্ত ক’রে দিয়েছি, আপনি কি তা বুঝতে পেরেছেন?’ তিনি বললেন, “তুমি কি (সত্যিই) এ কাজ করেছ?” মায়মূনা বললেন, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি ক্রীতদাসীটিকে তোমার মামাদেরকে দিতে, তাহলে তুমি বেশী সওয়াব পেতে।” (বুখারী ২৫৯২, ২৫৯৪, মুসলিম ২৩৬৪ নং )