ইল্ম অধ্যায়
১৪/১. অধ্যায়ঃ
ইল্মের ফযীলত
হাদিস সম্ভার
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلاَ حَرَجَ وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّداً فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ رواه البخاري
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আ’স (রাঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার পক্ষ থেকে জনগণকে (আল্লাহর বিধান) পৌঁছে দাও, যদিও একটি আয়াত হয়। বনী-ইস্রাঈল থেকে (ঘটনা) বর্ণনা কর, তাতে কোন ক্ষতি নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা (বা জাল হাদীস) আরোপ করল, সে যেন নিজ আশ্রয় জাহান্নামে বানিয়ে নিল।” (বুখারী ৩৪৬১)
** (প্রকাশ থাকে যে, বনী-ইস্রাঈল হতে কেবল ইসলাম সমর্থিত হাদীস বর্ণনা করতে পারা যায়। ব্যাপকভাবে তাদের সব রকম হাদীস গ্রহণ করা সমীচীন নয়। আর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নামে মিথ্যা আরোপ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ফলে হাদীস অতি সতর্কভাবে বর্ণনা করা আবশ্যক এবং জাল ও দুর্বল হাদীস থেকে বিরত থাকা নৈতিক কর্তব্য। সহীহ-যয়ীফ হাদীসের গ্রন্থ ও কম্পিউটার প্রোগাম বর্তমানে প্রায় সর্বত্র সুলভ। সুতরাং হাদীস সম্বন্ধেও যাচাই-বাছাই করা মুসলিমদের একটি দ্বীনী কর্তব্য।)