জানাযা অধ্যায়
১১/২৯. অধ্যায়ঃ
মৃতের জন্য মাতমবিহীন কান্না বৈধ
হাদিস সম্ভার
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ لَمَّا قُتِلَ أَبِي جَعَلْتُ أَكْشِفُ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ أَبْكِي وَيَنْهَوْنِي عَنْهُ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لَا يَنْهَانِي فَجَعَلَتْ عَمَّتِي فَاطِمَةُ تَبْكِي فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَبْكِينَ أَوْ لَا تَبْكِينَ مَا زَالَتْ الْمَلَائِكَةُ تُظِلُّهُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى رَفَعْتُمُوهُ
বর্ণনাকারী জাবের (রাঃ)
‘যখন আমার পিতা (আব্দুল্লাহ) ইন্তিকাল করলেন, তখন আমি তাঁর চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে কাঁদতে লাগলাম। এ দেখে সকলে আমাকে নিষেধ করল। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে নিষেধ করেন নি। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর আদেশক্রমে তাঁর জানাযা উঠানো হল। এতে আমার ফুফু ফাতেমা কাঁদতে শুরু করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, “কাঁদ অথবা না কাঁদ, ওর লাশ উঠানো পর্যন্ত ফিরিশতাবর্গ নিজেদের পক্ষ দ্বারা ওকে ছায়া করে রেখেছিল।” (বুখারী ১২৪৪, মুসলিম ৬৫০৮-৬৫০৯)