ক্ৰয়-বিক্রয়ের বিধান
৭/১. অধ্যায়ঃ
ক্রয় বিক্রয়ের শর্তাবলী ও তার নিষিদ্ধ বিষয় - “উরবুন” নামক বিক্রির বিধান
বুলুগুল মারাম
وَعَنْهُ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ بَيْعِ الْعُرْبَانِ. رَوَاهُ مَالِكٌ, قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, بِهِ
বর্ণনাকারী আমর বিন শু‘আইবের সূত্রে উক্ত রাবী
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উরবান’ * নামক ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী ইমাম মালিক; তিনি বলেন, হাদিসটি ‘আম্র বিন শু‘আইব এর সুত্রে পৌঁছেছে । [৮৫৩]* ‘উরবানের অর্থঃ বিক্রেতাকে দেয়া অফেরতযোগ্য বায়না।
[৮৫৩] মুওয়াত্তা মালেক ২য় খন্ড ৬০৯। ইমাম বাইহাকী তাঁর সুনান আল কুবরা ৫/৩৪২ গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আসেম বিন আবদুল আযীয আল শাজাঈ রয়েছে যার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আর হাবীব বিন আবূ হাবীব হচ্ছে দুর্বল, আব্দুল্লাহ বিন আমের ও ইবনু লাহীআহ এর দ্বারা দলীল সাব্যস্ত হয় না। তাহযীবুল কামাল ৪/১১৬ গ্রন্থে আবূ হাতিম ও ইমাম নাসায়ী হাবীব বিন আবূ হাবীবকে মাতরূক আখ্যা দিয়েছেন। আর ইমাম আবূ দাউদ তাকে মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা মিথ্যাবাদী বলেছেন। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ৩/২৮ গ্রন্থে বলেন, এ হাদিসে একজন রাবী আছেন যাঁর নাম উল্লেখ করা হয় নি। তবে অন্য একটি বর্ণনায় নাম উল্লেখ থাকলেও তিনি দুর্বল। তাছাড়া এর আরো অনেক সনদ রয়েছে যেগুলো সমালোচনা থেকে মুক্ত নয়। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাত ২৭৯৩, যঈফ আবূ দাউদ ৩৫০২ গ্রন্থে এর সনদকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু উসাইমীনও বুলুগুল মারামের শরাহ ৩/৫৬০ গ্রন্থে হাদিসটিকে বিশুদ্ধ নয় বলেছেন।