আজান

১০/১০৫. অধ্যায়ঃ

ফজরের সালাতে সশব্দে কিরাআত।

وَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ طُفْتُ وَرَاءَ النَّاسِ وَالنَّبِيُّ ﷺ يُصَلِّي وَيَقْرَأُ بِـ ﴿الطُّورِ﴾.উম্মু সালামা (রা.) বলেন, আমি লোকদের পিছনে তাওয়াফ করছিলাম। নবী (ﷺ) তখন সালাত আদায় করছিলেন এবং সূরা তূর পাঠ করছিলেন।"

সহিহ বুখারী

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَرَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِيمَا أُمِرَ، وَسَكَتَ فِيمَا أُمِرَ ‏{‏وَمَا كَانَ رَبُّكَ نَسِيًّا‏}‏ ‏{‏لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ‏}‏‏.‏

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)

নবী (ﷺ) যেখানে কিরাআত পাঠের জন্য আদেশ পেয়েছেন, সেখানে পড়েছেন। আর যেখানে চুপ থাকতে আদেশ পেয়েছেন সেখানে চুপ থেকেছেন [২]। (আল্লাহ তা‘আলার বাণী): “তোমার প্রতিপালক ভুল করেন না”-(সূরা মারইয়াম ১৯/৬৪)। “নিশ্চয় তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।” (সূরা আল-আহযাব ৩৩/২১)।

(আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ পৃষ্ঠা ৩৩৬,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ ৪৯৮ )[১] অর্থাৎ সশব্দে পড়ার।[২] নিঃশব্দে পড়ার।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18