আকাঙ্ক্ষা

৯৪/৯. অধ্যায়ঃ

لو ‘যদি’ শব্দটি কতটা বৈধ।

وَقَوْلُهُ تَعَالَى: {أَنْ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ مَا قُتِلْنَا هَاهُنَا} {لَوْ أَطَاعُونَا مَا قُتِلُوا} {وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ} {وَلَوْ رَدُّوا لَعَادُوا لِمَا نُهُوا عَنْهُ} {وَلَوْ أَنَّنَا نَزَّلْنَا إِلَيْهِمُ الْمَلَائِكَةَ} وَفِي قِصَّةِ شُعَيْبٍ {وَلَوْلَا رَهْطُكَ لَرَجَمْنَاكَ} {وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ} {وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُمْ بِبَعْضٍ} {وَلَوْ شَاءَ رَبُّكَ مَا فَعَلُوهُ} {وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا اقْتَتَلُوا} {وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُوا وَاتَّقَوْا} {وَلَوْ أَنَّهُمْ آمَنُوا وَاتَّقَوْا} {وَلَوْ أَنَّهُمْ فَعَلُوا مَا يُوعَظُونَ بِهِ}আল্লাহর বাণী: আমাদের যদি কোনো ক্ষমতা থাকত তবে আমরা এখানে নিহত হতাম না। (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪)। যদি তারা আমাদের কথা মানত তবে নিহত হত না। (সূরা আলে ‘ইমরান ৩/১৬৮)। আমি যদি অদৃশ্যের খবর জানতাম তবে আমি প্রভূত কল্যাণ লাভ করতাম। (সূরা আল-আ‘রাফ ৭/১৮৮)। তারা যদি ফিরেও আসে তবু যা করতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে তাই করবে। (সূরা আল-আন‘আম ৬/২৮)। যদি আমি তাদের কাছে ফিরিশতা পাঠাতাম...। (সূরা আল-আন‘আম ৬/১১১)। শু‘আইব (আ.)-এর ঘটনায় আছে, যদি তোমার স্বগোত্রীয়রা না থাকত তবে আমি তোমাকে পাথর মেরে হত্যা করতাম। (সূরা হূদ ১১/৯১)। যদি তোমার রবের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকত। (সূরা ত্ব-হা ২০/১২৯)। আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন। (সূরা আল-বাকারা ২/২৫১)। তোমার রব যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা তা করত না। (সূরা আল-আন‘আম ৬/১১২)। আল্লাহ যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হত না। (সূরা আল-বাকারা ২/২৫৩)। যদি জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত। (সূরা আল-আ‘রাফ ৭/৯৬)। যদি তারা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত। (সূরা আল-বাকারা ২/১০৩)। তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছে তারা যদি তা করত। (সূরা আন-নিসা ৪/৬৬)وَقَوْلُهُ تَعَالَى: {لَوْ أَنَّ لِي بِكُمْ قُوَّةً}আল্লাহর বাণী: তোমাদের দমন করার ক্ষমতা আমার যদি থাকত! (সূরা হূদ ১১/৮০)"

সহিহ বুখারী

أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ الْوِصَالِ قَالُوا فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ قَالَ أَيُّكُمْ مِثْلِي إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِ فَلَمَّا أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا وَاصَلَ بِهِمْ يَوْمًا ثُمَّ يَوْمًا ثُمَّ رَأَوْا الْهِلاَلَ فَقَالَ لَوْ تَأَخَّرَ لَزِدْتُكُمْ كَالْمُنَكِّلِ لَهُمْ.

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়য়া (রাঃ)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বিরতিহীন সাওম পালন করতে নিষেধ করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি বিরতিহীন সাওম পালন করছেন? তিনি বললেনঃ তোমাদের কে আছে আমার মতো? আমি তো রাত কাটাই যাতে আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান ও পান করান। কিন্তু তারা যখন বিরতি থাকতে অস্বীকৃতি জানাল, তখন তিনি তাদেরসহ একদিন, তারপর আর একদিন সাওম পালন করলেন। তারপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যদি চাঁদ আরো (কয়দিন) পরে উদিত হত, তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদের (সাওম) বাড়াতাম। তিনি যেন তাদেরকে শাসন করছিলেন।

আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৮

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18