আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তাওবার প্রতি আহ্বান ও তাদের সাথে যুদ্ধ
৮৮/৫. অধ্যায়ঃ
অত্যাচারিত হবার পর ও কওমের জন্য ক্ষমার পার্থনা করা
সহিহ বুখারী
عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ قَالَ حَدَّثَنِي شَقِيقٌ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللهِ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَحْكِي نَبِيًّا مِنْ الأَنْبِيَاءِ ضَرَبَهُ قَوْمُهُ فَأَدْمَوْهُ فَهُوَ يَمْسَحُ الدَّمَ عَنْ وَجْهِهِ وَيَقُولُ رَبِّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنَّهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ (রাঃ)
আমি যেন লক্ষ্য করছিলাম যে, নবী (ﷺ) কোনো এক নবীর কথা বর্ণনা করেছেন, যাকে তাঁর সম্প্রদায় প্রহার করে রক্তাক্ত করে ফেলে। আর তিনি আপন চেহারা থেকে রক্ত মুছছেন ও বলছেন: হে রব! তুমি আমার কওমকে ক্ষমা করে দাও। কেননা, তারা বুঝে না।
(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬০)[১২৭] যে নবী নির্যাতিত, নিপীড়িত, রক্তে রঞ্জিত হওয়ার পরেও বদ দোয়া না করে বলেন, “হে আমার প্রতিপালক আমার ক্বওমকে তুমি ক্ষমা করে দাও, কেননা তারা তো বুঝে না।” সেই নবী যে কতবড় উদার, ধৈর্যশীল, উম্মাতের হিতাকাংক্ষী এবং সহানুভূতিশীল তা সকলের ভাবা উচিত।