আজান
১০/১০. অধ্যায়ঃ
আজানের মধ্যে কথা বলা।
সহিহ বুখারী
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، وَعَبْدِ الْحَمِيدِ، صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ وَعَاصِمٍ الأَحْوَلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ خَطَبَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمٍ رَدْغٍ، فَلَمَّا بَلَغَ الْمُؤَذِّنُ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ. فَأَمَرَهُ أَنْ يُنَادِيَ الصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ. فَنَظَرَ الْقَوْمُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ فَقَالَ فَعَلَ هَذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ وَإِنَّهَا عَزْمَةٌ.
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু হারিস (রাঃ)
একবার বর্ষণ মুখর দিনে ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এদিকে মুয়াজ্জিন আজান দিতে গিয়ে যখন “হায়্যা আলাস সালাত” (হে! সালাতের জন্য আসো) এ পৌঁছল, তখন তিনি তাকে এ ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দিলেন যে, ‘লোকেরা যেন আবাসে সালাত আদায় করে নেয়।’ এতে লোকেরা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, তাঁর চেয়ে যিনি অধিক উত্তম ছিলেন (ﷺ) তিনিই এরূপ করেছেন। অবশ্য জুমার সালাত ওয়াজিব। (তবে ওজরের কারণে নিজ আবাসস্থলে সালাত আদায় করার অনুমতি আছে)।