আহার সংক্রান্ত

৭০/২৭. অধ্যায়ঃ

পূর্ববর্তী মনীষীগণ তাঁদের বাড়িতে ও সফরে গোশত এবং অন্যান্য যেসব খাদ্য সঞ্চিত রাখতেন।

وَقَالَتْ عَائِشَةُ وَأَسْمَاءُ صَنَعْنَا لِلنَّبِيِّ ﷺ وَأَبِي بَكْرٍ سُفْرَةً.আবু বকরের কন্যা ‘আয়িশা ও আসমা (রা.) বলেন: আমরা নবী (ﷺ) ও আবূ বকরের জন্য (হিজরতের প্রাক্কালে) পথের খাবার তৈরি করে দিয়েছিলাম।"

সহিহ বুখারী

عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ كُنَّا نَتَزَوَّدُ لُحُومَ الْهَدْيِ عَلٰى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمَدِينَةِ تَابَعَه“ مُحَمَّدٌ عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ قُلْتُ لِعَطَاءٍ أَقَالَ حَتّٰى جِئْنَا الْمَدِينَةَ قَالَ لاَ.

বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ)

নবী (ﷺ)-এর যুগে আমরা কুরবানির গোশত মদিনা পর্যন্ত সফরের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করতাম। মুহাম্মাদ (রহঃ) ইবন উয়াইনাহ থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। ইবন জুরাইয বলেন, আমি আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, জাবির (রাঃ) কি এ কথা বলেছেন যে, ‘এমন কি আমরা মদিনা পর্যন্ত এলাম’। তিনি বললেনঃ না।

আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৭

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18