ফজায়িলুল কুরআন

৬৬/৭. অধ্যায়ঃ

জিবরীল (আঃ) নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে কুরআন মাজীদ শুনতেন ও শুনাতেন।

وَقَالَ مَسْرُوقٌ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَام أَسَرَّ إِلَيَّ النَّبِيُّ ﷺ أَنَّ جِبْرِيلَ كَانَ يُعَارِضُنِي بِالْقُرْآنِ كُلَّ سَنَةٍ وَإِنَّهُ عَارَضَنِي الْعَامَ مَرَّتَيْنِ وَلَا أُرَاهُ إِلَّا حَضَرَ أَجَلِي.মাসরূক (রহ.) ‘আয়িশা (রা.)-এর মাধ্যমে ফাতিমা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, নবী (ﷺ) আমাকে গোপনে বলেছেন, প্রতি বছর জিবরীল (আ.) আমার সঙ্গে একবার কুরআন শুনান ও শুনেন; কিন্তু এ বছর তিনি আমার সঙ্গে দু’বার এ কাজ করেন। আমার মনে হচ্ছে আমার মৃত্যু আসন্ন।"

সহিহ বুখারী

يَحْيَى بْنُ قَزَعَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ بِالْخَيْرِ وَأَجْوَدُ مَا يَكُوْنُ فِيْ شَهْرِ رَمَضَانَ لِأَنَّ جِبْرِيْلَ كَانَ يَلْقَاهُ فِيْ كُلِّ لَيْلَةٍ فِيْ شَهْرِ رَمَضَانَ حَتَّى يَنْسَلِخَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ فَإِذَا لَقِيَهُ جِبْرِيْلُ كَانَ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنْ الرِّيْحِ الْمُرْسَلَةِ.

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)

নবী (ﷺ) কল্যাণের কাজে ছিলেন সর্বাধিক দানশীল, বিশেষভাবে রমজান মাসে। (তাঁর দানশীলতার কোনো সীমা ছিল না) কেননা, রমজান মাসের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাতে জিবরীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তিনি তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। যখন জিবরীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি কল্যাণের জন্য প্রবাহমান বায়ুর চেয়েও বেশি দানশীল হতেন।

আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩১

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18