তাফসীর

৬৫/২০৬. অধ্যায়ঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ নিশ্চয় ফজরের সালাতে (মালায়িকার উপস্থিতির সময়) কুরআন পাঠ সাক্ষ্য হিসেবে পেশ করা হয়। (সূরা বনি ইসরাইল ১৭/৭৮)

সহিহ বুখারী

عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِيْ سَلَمَةَ وَابْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَضْلُ صَلَاةِ الْجَمِيْعِ عَلَى صَلَاةِ الْوَاحِدِ خَمْسٌ وَعِشْرُوْنَ دَرَجَةً وَتَجْتَمِعُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ وَمَلَائِكَةُ النَّهَارِ فِيْ صَلَاةِ الصُّبْحِ يَقُوْلُ أَبُوْ هُرَيْرَةَ اقْرَءُوْا إِنْ شِئْتُمْ {وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُوْدًا}.

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জামাআতের সঙ্গে সালাত আদায় করার ফযীলত একাকী সালাত পড়ার চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি। আর ফজরের সালাতে রাতের ফেরেশতাগণ এবং দিনের ফেরেশতাগণ সমবেত হয়। এ প্রসঙ্গে আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে এ আয়াতটি পড়ে নিতে পারো وَقُرْاٰنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْاٰنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُوْدًا (নিশ্চয় কায়িম করবে ফজরের সালাত, ফজরের সালাত” সাক্ষ্য হিসেবে পেশ করা হয়।

[১৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৫৪,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৫৮)

হাদিস নং
৪৭১৭
অধ্যায়
তাফসীর
অধ্যায়
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ নিশ্চয় ফজরের সালাতে (মালায়িকার উপস্থিতির সময়) কুরআন পাঠ সাক্ষ্য হিসেবে পেশ করা হয়। (সূরা বনি ইসরাইল ১৭/৭৮)
সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18