ক্রীতদাস আযাদ করা
৪৯/৪. অধ্যায়ঃ
দুই ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত ক্রীতদাস বা কয়েকজন অংশীদারের দাসী আযাদ করা।
সহিহ বুখারী
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي مَمْلُوكٍ فَعَلَيْهِ عِتْقُهُ كُلِّهِ، إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ يَبْلُغُ ثَمَنَهُ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ يُقَوَّمُ عَلَيْهِ قِيمَةَ عَدْلٍ، فَأُعْتِقَ مِنْهُ مَا أَعْتَقَ ".
বর্ণনাকারী ইবনু ‘উমর (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করলে ঐ ক্রীতদাসের সম্পূর্ণটা মুক্ত করা তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়বে, যদি তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য সমপরিমাণ অর্থ থাকে। আর যদি তার কাছে কোন অর্থ না থাকে তাহলে তার দায়িত্ব হবে আজাদকৃত (গোলামের) ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা। এতে আজাদকারীর পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে, যতটুকু সে মুক্ত করেছে।মুসাদ্দাদ (রহঃ) বিশর ইবন মুফায্যাল (রহঃ) সূত্রে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত আছে।
(২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪০,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৭)