শুফআ

৩৬/১. অধ্যায়ঃ

স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তিতে শুফআ এর অধিকার। যখন (ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে) সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায়, তখন আর শুফআ এর অধিকার থাকে না।

সহিহ বুখারী

হাদিস নং ২২৫৭

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالشُّفْعَةِ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ، فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ‏.‏

বর্ণনাকারী জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)

নবী (ﷺ) যে সব সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি, তাতে শুফ‘আর ফায়সালা দিয়েছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তাও পৃথক হয়ে যায়, তখন শুফ‘আর অধিকার থাকে না।

হাদিস নং
২২৫৭
অধ্যায়
শুফআ
অধ্যায়
স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তিতে শুফআ এর অধিকার। যখন (ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে) সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায়, তখন আর শুফআ এর অধিকার থাকে না।

৩৬/২. অধ্যায়ঃ

বিক্রয়ের আগে শুফআ এর অধিকারীর কাছে (বিক্রয়ের) প্রস্তাব করা।

وَقَالَ الْحَكَمُ إِذَا أَذِنَ لَهُ قَبْلَ الْبَيْعِ فَلَا شُفْعَةَ لَهُ وَقَالَ الشَّعْبِيُّ مَنْ بِيعَتْ شُفْعَتُهُ وَهُوَ شَاهِدٌ لَا يُغَيِّرُهَا فَلَا شُفْعَةَ لَهُহাকাম (রহ.) বলেন, বিক্রয়ের পূর্বে যদি অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বিক্রয়ের অনুমতি দেয়, তবে তার শুফ‘আর অধিকার থাকে না। শা‘বী (রহ.) বলেন, যদি কারো উপস্থিতিতে তার শুফ‘আর যমীন বিক্রি হয় আর সে এতে কোনো আপত্তি না করে, তবে (বিক্রয়ের পরে) তার শুফ‘আর অধিকার থাকে না।"

সহিহ বুখারী

হাদিস নং ২২৫৮

حَدَّثَنَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، قَالَ وَقَفْتُ عَلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، فَجَاءَ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى إِحْدَى مَنْكِبَىَّ إِذْ جَاءَ أَبُو رَافِعٍ مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا سَعْدُ ابْتَعْ مِنِّي بَيْتَىَّ فِي دَارِكَ‏.‏ فَقَالَ سَعْدٌ وَاللَّهِ مَا أَبْتَاعُهُمَا‏.‏ فَقَالَ الْمِسْوَرُ وَاللَّهِ لَتَبْتَاعَنَّهُمَا‏.‏ فَقَالَ سَعْدٌ وَاللَّهِ لاَ أَزِيدُكَ عَلَى أَرْبَعَةِ آلاَفٍ، مُنَجَّمَةٍ أَوْ مُقَطَّعَةٍ‏.‏ قَالَ أَبُو رَافِعٍ لَقَدْ أُعْطِيتُ بِهَا خَمْسَمِائَةِ دِينَارٍ، وَلَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ ‏"‏‏.‏ مَا أَعْطَيْتُكَهَا بِأَرْبَعَةِ آلاَفٍ، وَأَنَا أُعْطَى بِهَا خَمْسَمِائَةِ دِينَارٍ‏.‏ فَأَعْطَاهَا إِيَّاهُ‏.‏

বর্ণনাকারী আমর ইবনু শারীদ (রহঃ)

আমি সা‘দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম, তখন মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখেন। এমতাবস্থায় নবী (ﷺ)-এর আযাদকৃত গোলাম আবু রাফি (রাঃ) এসে বললেন, ‘হে সা‘দ! আপনার বাড়িতে আমার যে দুটি ঘর আছে, তা আপনি আমার নিকট হতে খরিদ করে নিন।’ সা‘দ (রাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর কসম, আমি সে দুটি খরিদ করব না।’ তখন মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর কসম, আপনি এ দুটো অবশ্যই খরিদ করবেন।’ সা‘দ (রাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে কিস্তিতে চার হাজার (দিরহাম)-এর অধিক দিব না।’ আবু রাফি (রাঃ) বললেন, ‘এই ঘর দুটির বিনিময়ে আমাকে পাঁচশ’ দীনার দেয়ার প্রস্তাব এসেছে। আমি যদি আল্লাহর রসূল (ﷺ)-কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী অধিক হকদার তার নৈকট্যের কারণে, তাহলে আমি এ দুটি ঘর আপনাকে চার হাজার (দিরহাম)-এর বিনিময়ে কিছুতেই দিতাম না। আমাকে এ দুটি ঘরের বিনিময়ে পাঁচশ’ দীনার দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।’ তারপর তিনি তা তাঁকে (সা‘দ (রাঃ)-কে) দিয়ে দিলেন।

৩৬/৩. অধ্যায়ঃ

কোন প্রতিবেশী অধিক নিকটবর্তী।

সহিহ বুখারী

হাদিস নং ২২৫৯

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ، قَالَ سَمِعْتُ طَلْحَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لِي جَارَيْنِ، فَإِلَى أَيِّهِمَا أُهْدِي قَالَ ‏ "‏ إِلَى أَقْرَبِهِمَا مِنْكِ بابا ‏"‏‏.‏

বর্ণনাকারী ‘আয়িশা (রাঃ)

আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! আমার দুজন প্রতিবেশী রয়েছে, তাদের মধ্যে কাকে আমি হাদিয়া দিব? তিনি বললেন, উভয়ের মধ্যে যার দরজা তোমার বেশি কাছে।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18