বদান্যতা, কৃপণতা ও চারিত্রিক দোষ-ত্রুটি
৬/১২. অধ্যায়ঃ
মুচকি হাসি।
আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنِا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ قَالَ: سَمِعْتُ جَرِيرًا يَقُولُ: مَا رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُنْذُ أَسْلَمْتُ إِلَّا تَبَسَّمَ فِي وَجْهِيوَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَدْخُلُ مِنْ هَذَا الْبَابِ رَجُلٌ مِنْ خَيْرِ ذِي يَمَنٍ، عَلَى وَجْهِهِ مَسْحَةُ مَلَكٍ» ، فَدَخَلَ جَرِيرٌ
বর্ণনাকারী কায়েস (র)
আমি জারীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখনই আমাকে দেখেছেন, আমার সামনে মুচকি হাসি দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ এই দরজা দিয়ে কল্যাণময় ও বরকতের অধিকারী এক ব্যক্তি প্রবেশ করবে যার চেহারায় ফেরেশতার হাতের স্পর্শ রয়েছে। জারীর (রাঃ) তখন সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেন (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)।