রক্তমূল্য
৪১/১. অধ্যায়ঃ
হত্যার বদলে হত্যা
সুনানে আবু দাউদ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ مُوسَى - عَنْ عَلِيِّ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ قُرَيْظَةُ وَالنَّضِيرُ - وَكَانَ النَّضِيرُ أَشْرَفَ مِنْ قُرَيْظَةَ - فَكَانَ إِذَا قَتَلَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْظَةَ رَجُلاً مِنَ النَّضِيرِ قُتِلَ بِهِ وَإِذَا قَتَلَ رَجُلٌ مِنَ النَّضِيرِ رَجُلاً مِنْ قُرَيْظَةَ فُودِيَ بِمِائَةِ وَسْقٍ مِنْ تَمْرٍ فَلَمَّا بُعِثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَتَلَ رَجُلٌ مِنَ النَّضِيرِ رَجُلاً مِنْ قُرَيْظَةَ فَقَالُوا ادْفَعُوهُ إِلَيْنَا نَقْتُلْهُ . فَقَالُوا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَوْهُ فَنَزَلَتْ { وَإِنْ حَكَمْتَ فَاحْكُمْ بَيْنَهُمْ بِالْقِسْطِ } وَالْقِسْطُ النَّفْسُ بِالنَّفْسِ ثُمَّ نَزَلَتْ { أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ } . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قُرَيْظَةُ وَالنَّضِيرُ جَمِيعًا مِنْ وَلَدِ هَارُونَ النَّبِيِّ عَلَيْهِ السَّلاَمُ .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
বনী কুরাইযা ও বনী নযীর নামে দুটি (ইহুদি) গোত্র ছিল। নযীর গোত্র কুরাইযার চেয়ে অধিক মর্যাদার দাবিদার ছিল। এজন্য যখন কুরাইযার কোনো লোক নযীর গোত্রের কোনো লোককে হত্যা করতো বিনিময়ে তাকেও হত্যা করা হতো। কিন্তু যখন নযীর গোত্রের কোনো ব্যক্তি কুরাইযার কোনো লোক হত্যা করতো তখন একশ ওয়াসক খেজুরের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করা হতো।অতঃপর নবী (ﷺ) যখন নবুওয়াত লাভ করলেন, তখন নযীর গোত্রীয় এক ব্যক্তি কুরাইযার এক লোককে হত্যা করলে কুরাইযার লোকেরা বলল, হত্যাকারীকে আমাদের হাতে সমর্পণ করো; আমরা তাকে হত্যা করব। কিন্তু পুরাতন প্রথানুযায়ী এ প্রস্তাবে বনী নযীর অসম্মতি জানালে তারা বলল, আমাদের ও তোমাদের মাঝে নবী (ﷺ) রয়েছেন। এরপর তারা তাঁর (ﷺ) নিকট উপস্থিত হলে এ আয়াত নাজিল হয়ঃ “যদি তুমি তাদের মধ্যে ফায়সালা করো, তাহলে ইনসাফের সঙ্গে ফায়সালা করবে” (সূরা আল-মায়িদা: ৪২)। ইনসাফ হলো প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ। অতঃপর নাজিল হলোঃ “তবে কি তারা জাহিলী যুগের বিধিবিধান কামনা করে” (সূরা আল-মায়িদা: ৫০)।ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, বনী কুরাইযা ও বনী নযীর সকলেই নবী হারূন (আঃ)-এর বংশধর।