কর, ফাই ও প্রশাসক
২০/১. অধ্যায়ঃ
নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯২৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَلاَ كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ فَالأَمِيرُ الَّذِي عَلَى النَّاسِ رَاعٍ عَلَيْهِمْ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهُمْ وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهُمْ وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ بَعْلِهَا وَوَلَدِهِ وَهِيَ مَسْئُولَةٌ عَنْهُمْ وَالَعَبْدُ رَاعٍ عَلَى مَالِ سَيِّدِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهُ فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ " .
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে। জনগণের শাসক তাদের দায়িত্বশীল। তাকে তাদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। পরিবারের কর্তা তার পরিবারের সদস্যদের দায়িত্বশীল। তাকে তাদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। স্ত্রী তার স্বামীর সংসার ও সন্তানদের দায়িত্বশীল। তাকে এর রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে। গোলাম তার মনিবের সম্পদের রাখাল, তাকে এ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। সুতরাং তোমরা সকলেই দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে হবে।
২০/২. অধ্যায়ঃ
নেতৃত্ব চাওয়া
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯২৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، وَمَنْصُورٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ قَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ سَمُرَةَ لاَ تَسْأَلِ الإِمَارَةَ فَإِنَّكَ إِذَا أُعْطِيتَهَا عَنْ مَسْأَلَةٍ وُكِلْتَ فِيهَا إِلَى نَفْسِكَ وَإِنْ أُعْطِيتَهَا عَنْ غَيْرِ مَسْأَلَةٍ أُعِنْتَ عَلَيْهَا " .
বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন: হে আব্দুর রহমান ইবনু সামুরা! রাষ্ট্রীয় পদ চেয়ে নিবে না। কারণ তোমার চাওয়ার কারণে তোমাকে পদ দেয়া হলে এর দায়-দায়িত্ব তোমার উপরই বর্তাবে (তুমি আল্লাহর সাহায্য পাবে না)। আর চাওয়া ছাড়া তোমাকে নেতৃত্ব পদ দেয়া হলে তুমি দায়িত্ব পালনে (আল্লাহর পক্ষ হতে) সাহায্য পাবে।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩০
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ أَخِيهِ، عَنْ بِشْرِ بْنِ قُرَّةَ الْكَلْبِيِّ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ رَجُلَيْنِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَتَشَهَّدَ أَحَدُهُمَا ثُمَّ قَالَ جِئْنَا لِتَسْتَعِينَ بِنَا عَلَى عَمَلِكَ . وَقَالَ الآخَرُ مِثْلَ قَوْلِ صَاحِبِهِ . فَقَالَ " إِنَّ أَخْوَنَكُمْ عِنْدَنَا مَنْ طَلَبَهُ " . فَاعْتَذَرَ أَبُو مُوسَى إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ لَمْ أَعْلَمْ لِمَا جَاءَا لَهُ . فَلَمْ يَسْتَعِنْ بِهِمَا عَلَى شَىْءٍ حَتَّى مَاتَ .
বর্ণনাকারী আবূ মূসা (রাঃ)
একদা আমি দুইজন লোকের সাথে নবী (ﷺ)-এর নিকট যাই। তাদের একজন তাশাহুদ পড়ার পর বললো, আমরা আপনার কাছে এ উদ্দেশ্যে এসেছি যে আপনি আমাদেরকে আপনার প্রশাসনে কর্মচারী নিযুক্ত করে আমাদের সাহায্য করবেন। দ্বিতীয় ব্যক্তিও তার সাথীর অনুরূপ বললো। তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে ঐ লোক আমাদের দৃষ্টিতে বড় খিয়ানতকারী যে পদ চেয়ে নেয়। অতঃপর আবু মূসা (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে বললেন, তারা আপনার নিকট এ উদ্দেশ্যে এসেছে তা আমি জানতাম না। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর ইন্তেকালের পূর্ব পর্যন্ত এদের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা নেননি।
২০/৩. অধ্যায়ঃ
অন্ধ ব্যক্তির নেতৃত্ব সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُخَرِّمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ عَلَى الْمَدِينَةِ مَرَّتَيْنِ .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-কে দুইবার মদিনায় প্রতিনিধি নিয়ুক্ত করেছিলেন।
সহীহঃ অনুরূপ গত হয়েছে (৫৯৫)।
২০/৪. অধ্যায়ঃ
মন্ত্রী নিয়োগ সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩২
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَامِرٍ الْمُرِّيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِالأَمِيرِ خَيْرًا جَعَلَ لَهُ وَزِيرَ صِدْقٍ إِنْ نَسِيَ ذَكَّرَهُ وَإِنْ ذَكَرَ أَعَانَهُ وَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِهِ غَيْرَ ذَلِكَ جَعَلَ لَهُ وَزِيرَ سُوءٍ إِنْ نَسِيَ لَمْ يُذَكِّرْهُ وَإِنْ ذَكَرَ لَمْ يُعِنْهُ " .
বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের কল্যাণের ইচ্ছা করলে তার জন্য একজন সত্পন্থী মন্ত্রীর ব্যবস্থা করেন। রাষ্ট্রপ্রধান ভুল করলে সে তা স্মরণ করিয়ে দেয়। আর তার স্মরণ থাকলে মন্ত্রী তাকে সহযোগিতা করেন। আর আল্লাহ তার অকল্যাণ চাইলে একজন খারাপ লোককে তার মন্ত্রী নিয়োগ করেন। সে (আল্লাহর নির্দেশ) ভুলে গেলে মন্ত্রী তাকে তা স্মরণ করিয়ে দেয় না, আর তার স্মরণ থাকলে সে তাকে সহযোগিতা করে না।
২০/৫. অধ্যায়ঃ
সমাজপতি সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩৩
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، سُلَيْمَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ جَابِرٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْمِقْدَامِ، عَنْ جَدِّهِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَرَبَ عَلَى مَنْكِبِهِ ثُمَّ قَالَ لَهُ " أَفْلَحْتَ يَا قُدَيْمُ إِنْ مُتَّ وَلَمْ تَكُنْ أَمِيرًا وَلاَ كَاتِبًا وَلاَ عَرِيفًا " .
বর্ণনাকারী আল-মিক্বদাদ ইবনু মা’দিকারিব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার কাঁধে হাত রেখে বললেন: হে কুদাইম! তুমি যদি মৃত্যু পর্যন্ত আমির, কাতিব এবং আরিফ না হও তাহলে তুমি নাজাত পাবে।
দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (১০৫৫), মিশকাত (৩৭০২)।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩৪
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا غَالِبٌ الْقَطَّانُ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُمْ كَانُوا عَلَى مَنْهَلٍ مِنَ الْمَنَاهِلِ فَلَمَّا بَلَغَهُمُ الإِسْلاَمُ جَعَلَ صَاحِبُ الْمَاءِ لِقَوْمِهِ مِائَةً مِنَ الإِبِلِ عَلَى أَنْ يُسْلِمُوا فَأَسْلَمُوا وَقَسَمَ الإِبِلَ بَيْنَهُمْ وَبَدَا لَهُ أَنْ يَرْتَجِعَهَا مِنْهُمْ فَأَرْسَلَ ابْنَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ ائْتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْ لَهُ إِنَّ أَبِي يُقْرِئُكَ السَّلاَمَ وَإِنَّهُ جَعَلَ لِقَوْمِهِ مِائَةً مِنَ الإِبِلِ عَلَى أَنْ يُسْلِمُوا فَأَسْلَمُوا وَقَسَمَ الإِبِلَ بَيْنَهُمْ وَبَدَا لَهُ أَنْ يَرْتَجِعَهَا مِنْهُمْ أَفَهُوَ أَحَقُّ بِهَا أَمْ هُمْ فَإِنْ قَالَ لَكَ نَعَمْ أَوْ لاَ فَقُلْ لَهُ إِنَّ أَبِي شَيْخٌ كَبِيرٌ وَهُوَ عَرِيفُ الْمَاءِ وَإِنَّهُ يَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ لِيَ الْعِرَافَةَ بَعْدَهُ . فَأَتَاهُ فَقَالَ إِنَّ أَبِي يُقْرِئُكَ السَّلاَمَ . فَقَالَ " وَعَلَيْكَ وَعَلَى أَبِيكَ السَّلاَمُ " . فَقَالَ إِنَّ أَبِي جَعَلَ لِقَوْمِهِ مِائَةً مِنَ الإِبِلِ عَلَى أَنْ يُسْلِمُوا فَأَسْلَمُوا وَحَسُنَ إِسْلاَمُهُمْ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَرْتَجِعَهَا مِنْهُمْ أَفَهُوَ أَحَقُّ بِهَا أَمْ هُمْ فَقَالَ " إِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُسْلِمَهَا لَهُمْ فَلْيُسْلِمْهَا وَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يَرْتَجِعَهَا فَهُوَ أَحَقُّ بِهَا مِنْهُمْ فَإِنْ هُمْ أَسْلَمُوا فَلَهُمْ إِسْلاَمُهُمْ وَإِنْ لَمْ يُسْلِمُوا قُوتِلُوا عَلَى الإِسْلاَمِ " . فَقَالَ إِنَّ أَبِي شَيْخٌ كَبِيرٌ وَهُوَ عَرِيفُ الْمَاءِ وَإِنَّهُ يَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ لِيَ الْعِرَافَةَ بَعْدَهُ . فَقَالَ " إِنَّ الْعِرَافَةَ حَقٌّ وَلاَ بُدَّ لِلنَّاسِ مِنَ الْعُرَفَاءِ وَلَكِنَّ الْعُرَفَاءَ فِي النَّارِ " .
বর্ণনাকারী গালিব আল-কাত্তান (রহঃ)
তিনি পর্যায়ক্রমে জনৈক ব্যক্তি, তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, তারা কোন এক ঝর্ণার পাশে বাস করতো। তাদের নিকট ইসলামের দাওয়াত পৌঁছলে ঝর্ণার মালিক তার অধীনস্থ লোকদেরকে বললেন, তারা যদি ইসলাম কবুল করে তাহলে তিনি তাদেরকে একশো উট দিবেন। তারা ইসলাম কবুল করলো। ওয়াদা মোতাবেক তিনি তাদের মধ্যে উট বণ্টন করে দিলেন।অতঃপর তিনি তাদের কাছ থেকে উটগুলো ফেরত নেওয়ার ইচ্ছা করলেন। তিনি তার ছেলেকে ডেকে নবী (ﷺ)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তাকে বলে দিলেন, তুমি নবী (ﷺ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে বলবে, আমার পিতা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। তিনি তার সম্প্রদায়ের লোকদেরকে ইসলাম কবুলের শর্তে একশো উট প্রদানের ওয়াদা করেছিলেন। তারা ইসলাম কবুল করলে তিনি উটগুলো তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেন। তিনি এখন তাদের কাছ থেকে উটগুলো ফেরত নিতে চাইছেন। তিনি কি এগুলো ফেরত নিতে পারেন, নাকি সেগুলো তাদেরই প্রাপ্য? তিনি তোমাকে হাঁ কিংবা না বললে তাঁকে আবার বলবে, আমার পিতা খুব বৃদ্ধ এবং তিনিই ঐ কূপের তত্ত্বাবধায়ক। তিনি আপনার নিকট আবেদন করেছেন তার মৃত্যুর পর আমাকে সেখানকার তত্ত্বাবধায়ক বানাতে।আর সে (ছেলেটি) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললো, আমার পিতা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। তিনি (ﷺ) বললেন: তোমার এবং তোমার পিতার প্রতি সালাম! সে বললো, আমার পিতা তার গোত্রের লোকদের ইসলাম কবুলের শর্তে একশো উট প্রদানের ওয়াদা করেন। অতঃপর তারা ইসলাম কবুল করে তাদের ইসলামী জীবনকে সুন্দর করেছে। এখন তিনি উটগুলো তাদের কাছ থেকে ফেরত নিতে চাইছেন। সুতরাং তিনি এসবের হকদার নাকি তারা? তিনি বললেন: সে যদি উটগুলো তাদেরকেই দিয়ে দিতে চায় তবে তাই করুক। আর ফিরিয়ে নিতে চাইলে সে তাদের চেয়ে এর অধিক হকদার। তারা ইসলাম কবুল করে এর উপকারিতা তারাই পাবে। তারা যদি ইসলাম গ্রহণ না করতো তবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদেরকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হতো।সে পুনরায় বললো, আমার পিতা খুব বৃদ্ধ। তিনিই ওখানকার ঝর্ণার তত্ত্বাবধায়ক। তিনি তার অবর্তমানে আমাকে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করতে আপনার নিকট আবেদন জানিয়েছেন। জবাবে তিনি বললেন: নিশ্চয় তত্ত্বাবধায়ক দরকার আছে। জনসাধারণের তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া চলে না। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক (পক্ষপাতিত্বের কারণে) জাহান্নামে যাবে।
দুর্বলঃ মিশকাত (৩৬৯৯)।
২০/৬. অধ্যায়ঃ
সচিব নিয়োগ করা
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ السِّجِلُّ كَاتِبٌ كَانَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর আস-সিজিল নামক এক সচিব ছিল।
২০/৭. অধ্যায়ঃ
যাকাত আদায়কারীর সওয়াব সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الأَسْبَاطِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْعَامِلُ عَلَى الصَّدَقَةِ بِالْحَقِّ كَالْغَازِي فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى بَيْتِهِ " .
বর্ণনাকারী রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: সততার সাথে যাকাত আদায়কারী আল্লাহর পথে জিহাদকারীর সমতুল্য যতক্ষণ না সে তার বাড়িতে ফিরে আসে।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৯৩৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شِمَاسَةَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ صَاحِبُ مَكْسٍ " .
বর্ণনাকারী উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: খাজনা আদায়কারীরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬৩৪১), মিশকাত (৩৭০৩)।