সওম (রোজা)
১৪/১. অধ্যায়ঃ
সওম ফরজ হওয়ার সূচনা
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৩
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبُّويَةَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، { يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ } فَكَانَ النَّاسُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّوُا الْعَتَمَةَ حَرُمَ عَلَيْهِمُ الطَّعَامُ وَالشَّرَابُ وَالنِّسَاءُ وَصَامُوا إِلَى الْقَابِلَةِ فَاخْتَانَ رَجُلٌ نَفْسَهُ فَجَامَعَ امْرَأَتَهُ وَقَدْ صَلَّى الْعِشَاءَ وَلَمْ يُفْطِرْ فَأَرَادَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَجْعَلَ ذَلِكَ يُسْرًا لِمَنْ بَقِيَ وَرُخْصَةً وَمَنْفَعَةً فَقَالَ سُبْحَانَهُ { عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَخْتَانُونَ أَنْفُسَكُمْ } . وَكَانَ هَذَا مِمَّا نَفَعَ اللَّهُ بِهِ النَّاسَ وَرَخَّصَ لَهُمْ وَيَسَّرَ .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
(আল্লাহর বাণী) “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম পালন ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের ওপর” (সূরা আল-বাক্বারাহঃ ১৮৩)।নবী (ﷺ)-এর সময় (ইসলামের প্রথম যুগে) লোকেরা যখন এশার সালাত আদায় করতো তখন থেকে তাদের ওপর খাবার, পানীয় ও স্ত্রী-সহবাস হারাম হয়ে যেত এবং তারা পরবর্তী রাত পর্যন্ত সাওম পালন করতো।কিন্তু এক ব্যক্তি নফসের ওপর খিয়ানত করে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলে, অথচ সে এশার সালাত আদায় করেছে কিন্তু তখনও সে পূর্বের সাওমের ইফতার করেনি।এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ যেসব সাহাবী এ অন্যায়ে লিপ্ত হননি তাদের প্রতি সহনশীল ও কল্যাণ প্রদর্শনের ইচ্ছা করলেন এবং বললেনঃ “আল্লাহ জানেন, তোমরা নিজেদের নফসের সাথে খিয়ানত করেছিলে” (সূরা আল-বাক্বারাহঃ ১৮৭)। এর দ্বারা আল্লাহ মানুষের উপকার করেছেন এবং এটা তাদের জন্য সহজ ও ঐচ্ছিক করে দিয়েছেন।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৪
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ الْجَهْضَمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ كَانَ الرَّجُلُ إِذَا صَامَ فَنَامَ لَمْ يَأْكُلْ إِلَى مِثْلِهَا وَإِنَّ صِرْمَةَ بْنَ قَيْسٍ الأَنْصَارِيَّ أَتَى امْرَأَتَهُ وَكَانَ صَائِمًا فَقَالَ عِنْدَكِ شَىْءٌ قَالَتْ لاَ لَعَلِّي أَذْهَبُ فَأَطْلُبُ لَكَ شَيْئًا . فَذَهَبَتْ وَغَلَبَتْهُ عَيْنُهُ فَجَاءَتْ فَقَالَتْ خَيْبَةً لَكَ . فَلَمْ يَنْتَصِفِ النَّهَارُ حَتَّى غُشِيَ عَلَيْهِ وَكَانَ يَعْمَلُ يَوْمَهُ فِي أَرْضِهِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَتْ { أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ } قَرَأَ إِلَى قَوْلِهِ { مِنَ الْفَجْرِ } .
বর্ণনাকারী আল-বারাআ (রাঃ)
লোকেরা যখন সাওম পালন করতো তখন তাদের কেউ যদি কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়তো তাহলে পরের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে কিছুই খেতে পারতো না।সিরমা ইবনু কাইস আল-আনসারী (রাঃ) সাওম পালন অবস্থায় স্ত্রীকে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কাছে কিছু আছে কি? স্ত্রী বললেন, না, তবে আমি খুঁজে দেখি আপনার জন্য কিছু জোগাড় করতে পারি কিনা। স্ত্রী খাবারের সন্ধানে গেলে স্বামী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লো। স্ত্রী ফিরে এসে এ অবস্থা দেখে বললেন, তোমার জন্য বঞ্চনা। (ক্ষুধার কারণে) পরদিন দুপুর না হতেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। এ দিন তিনি নিজ ভূমিতে কাজকর্ম করছিলেন। বিষয়টি নবী (ﷺ) এর কাছে উল্লেখ করা হলে আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘রামাযানের রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে মেলামেশা তোমাদের জন্য বৈধ করা হলো’’। তিনি (ﷺ) আয়াতটির ‘ভোর পর্যন্ত’ তিলাওয়াত করেন।
১৪/২. অধ্যায়ঃ
“যারা সওম পালনে সক্ষম তারা ফিদিয়া দিবে” এই বিধান রহিত
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَكْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ { وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ } كَانَ مَنْ أَرَادَ مِنَّا أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ فَعَلَ حَتَّى نَزَلَتِ الآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا فَنَسَخَتْهَا .
বর্ণনাকারী সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ)–এর আযাদকৄত গোলাম ইয়াযীদ (রাঃ)
(আল্লাহর বাণী) “যারা সামর্থ্যবান (কিন্তু সাওম পালনে অক্ষম) তারা এর পরিবর্তে ফিদইয়া হিসেবে একজন মিসকিনকে খাদ্য দিবে” (সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৪) এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদের কারও ইচ্ছে হলে সাওম না রেখে ফিদইয়া দিতে চাইলে তাই করত। অতঃপর পরবর্তী আয়াত (২: ১৮৫) দ্বারা উপরের প্রথম বিধানটি মানসুখ হয়ে যায়।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، { وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ } فَكَانَ مَنْ شَاءَ مِنْهُمْ أَنْ يَفْتَدِيَ بِطَعَامِ مِسْكِينٍ افْتَدَى وَتَمَّ لَهُ صَوْمُهُ فَقَالَ { فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ } وَقَالَ { فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ } .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
যারা সামর্থ্যবান (কিন্তু সাওম পালনে অক্ষম) তারা এর পরিবর্তে ফিদইয়া হিসেবে একজন মিসকিনকে খাদ্য দিবে” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৪)। এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর যে লোক প্রতিদিন খাওয়াতে সক্ষম ছিল সে সাওম না রেখে ফিদইয়া দিত, এভাবে তার সিয়াম পূর্ণ হতো। অতঃপর আল্লাহ বলেন: “আর যে ব্যক্তি অধিক সদাকা করবে তা তার জন্য উত্তম। আর যদি তোমরা সাওম পালন করো তবে তা অধিক উত্তম”। আল্লাহ আরো বলেন: “তোমাদের মধ্যে যারা এ মাসে উপনীত হবে তারা সাওম পালন করবে। কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে অন্য সময় এই সংখ্যা পূর্ণ করবে”।
১৪/৩. অধ্যায়ঃ
যিনি বলেন, বৃদ্ধ ও গর্ভবতীর জন্য উক্ত বিধান বহাল আছে
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৭
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ عِكْرِمَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ أُثْبِتَتْ لِلْحُبْلَى وَالْمُرْضِعِ .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মহিলার জন্য ফিদইয়া প্রদানের বিধান বহাল রয়েছে।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৮
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَزْرَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، { وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ } قَالَ كَانَتْ رُخْصَةً لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ وَالْمَرْأَةِ الْكَبِيرَةِ وَهُمَا يُطِيقَانِ الصِّيَامَ أَنْ يُفْطِرَا وَيُطْعِمَا مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا وَالْحُبْلَى وَالْمُرْضِعُ إِذَا خَافَتَا - قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي عَلَى أَوْلاَدِهِمَا - أَفْطَرَتَا وَأَطْعَمَتَا .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আল্লাহর বাণীঃ “যারা সামর্থ্যবান (কিন্তু সাওম পালনে অক্ষম) তারা এর পরিবর্তে ফিদইয়া হিসেবে একজন মিসকিনকে খাদ্য দিবে” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৪)। এ আয়াতে অতিবৃদ্ধ ও বৃদ্ধার জন্য সাওম ভঙ্গের বিধান রয়েছে। এরা উভয়ে যখন সাওম পালনের শক্তি হারিয়ে ফেলেছে, এমতাবস্থায় সাওম না রেখে প্রত্যেক দিন একজন মিসকিনকে খাবার দিবে। গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করলে তাদের জন্যেও সাওম ভঙ্গের অনুমতি আছে।
শাযঃ ইরওয়া (৯১২)।২৩১৮ বায়হাক্বী।
১৪/৪. অধ্যায়ঃ
মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩১৯
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرٍو، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ لاَ نَكْتُبُ وَلاَ نَحْسُبُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَ هَكَذَا وَهَكَذَا " . وَخَنَسَ سُلَيْمَانُ أُصْبَعَهُ فِي الثَّالِثَةِ يَعْنِي تِسْعًا وَعِشْرِينَ وَثَلاَثِينَ .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমরা উম্মী জাতি, লিখতে জানি না, হিসাব করতেও জানি না। তবে মাস এত দিনে, এত দিনে এবং এত দিনে হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সুলায়মান তৃতীয় বারে আঙুল গুটিয়ে নেন। অর্থাৎ মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে এবং কখনো ত্রিশ দিনে হয়।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩২০
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ ثَلاَثِينَ " . قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا كَانَ شَعْبَانُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ نُظِرَ لَهُ فَإِنْ رُؤِيَ فَذَاكَ وَإِنْ لَمْ يُرَ وَلَمْ يَحُلْ دُونَ مَنْظَرِهِ سَحَابٌ وَلاَ قَتَرَةٌ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَإِنْ حَالَ دُونَ مَنْظَرِهِ سَحَابٌ أَوْ قَتَرَةٌ أَصْبَحَ صَائِمًا . قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُفْطِرُ مَعَ النَّاسِ وَلاَ يَأْخُذُ بِهَذَا الْحِسَابِ .
বর্ণনাকারী ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে হয়। সুতরাং চাঁদ না দেখে তোমরা সাওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখা পর্যন্ত সাওম পালন বন্ধও করবে না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলে তোমরা মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে। নাফি (রহঃ) বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) শাবানের ঊনত্রিশ দিনে পৌঁছুলে আকাশের দিকে তাকাতেন, যদি চাঁদ দেখতে পেতেন তাহলে সাওম রাখতেন। কিন্তু যদি না দেখতে পেতেন অথচ আকাশ মেঘ বা কুয়াশামুক্ত রয়েছে, তাহলে সাওম রাখতেন না। আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকত তাহলে তিনি পরদিন সাওম রাখতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) সেদিন সাওম সমাপ্ত করতেন যেদিন লোকেরা ইফতার করতো (মাস শেষ করতো)।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩২১
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنِي أَيُّوبُ، قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْبَصْرَةِ بَلَغَنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم زَادَ وَإِنَّ أَحْسَنَ مَا يُقَدَّرُ لَهُ إِذَا رَأَيْنَا هِلاَلَ شَعْبَانَ لِكَذَا وَكَذَا فَالصَّوْمُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ لِكَذَا وَكَذَا إِلاَّ أَنْ تَرَوُا الْهِلاَلَ قَبْلَ ذَلِكَ .
বর্ণনাকারী আইয়ূব (রহঃ)
উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) বসরার অধিবাসীদের কাছে লিখে পাঠালেন, ইবনু উমর (রাঃ) নবী (ﷺ) এর সূত্রে যেভাবে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা হুবহু অমুক অমুক তারিখে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তবে গণনার উত্তম পন্থা হলো, যখন আমরা শাবানের চাঁদ দেখবো তখন ইনশাআল্লাহ সাওম রাখবো। তবে যদি এক দিন পূর্বেই (ঊনত্রিশে শাবানের পর) চাঁদ দেখা যায় তাহলে সেই হিসেবে সাওম রাখবো।
সুনানে আবু দাউদ
হাদিস নং ২৩২২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ عِيسَى بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ضِرَارٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ لَمَا صُمْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْنَا مَعَهُ ثَلاَثِينَ .
বর্ণনাকারী ইবনু মাসঊদ (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ) এর সাথে ত্রিশ দিন সাওম পালনের তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঊনত্রিশ দিন সাওম পালন করেছি।