ওযূ ও নামাযের সুন্নাত

২/১. অধ্যায়ঃ

এক অঞ্জলি পানি দিয়ে কুলি করা ও নাকে দেওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ৬

বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক অঞ্জলি পানি দিয়ে কুলি করেছেন ও নাকে দিয়েছেন। (মুসলিম ৫৫৫)

২/২. অধ্যায়ঃ

গোসলের পূর্বে ওযূ করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ৭

বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফরয গোসল করতেন, তখন প্রথমে স্বীয় হস্তদ্বয় ধৌত করতেন। অতঃপর নামাযের ওযূর ন্যায় ওযূ করতেন। তারপর তাঁর দু’হাত দিয়ে তিন অঞ্জলি পানি নিজের মাথায় ঢালতেন। পরিশেষে সমপ্ত শরীরে পানি ঢেলে দিতেন।” (বুখারী ২৩৪)

২/৩. অধ্যায়ঃ

অযূর শেষে দু’আ

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ৮

বর্ণনাকারী উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ সুন্দর করে অযূ করে বলে, ‘আশহাদু আনলা ইলাহা ইল্লা-ল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসূলুহ’ তাঁর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।” (মুসলিম ২৩৪)

২/৪. অধ্যায়ঃ

ওযু-গোসলে পানি পরিমিত খরচ করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ৯

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসা’ হতে পাঁচ মুদ (কম-বেশী ২৫০০ থেকে ৩১২৫ গ্রাম) পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল এবং এক মুদ (কম-বেশী ৬২৫গ্রাম) পানি দিয়ে ওযু করতেন।” (বুখারী ২০১, মুসলিম ৩২৫)

২/৫. অধ্যায়ঃ

ওযুর পর দু’রাকআত নামায পড়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১০

বর্ণনাকারী বর্ণনাকারী

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার ন্যায় এরূপ অযু করে একাগ্র চিত্তে দু’রাকআত নামায পড়বে, তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’’ (বুখারী ১৫৯, মুসলিম ৫৩৯)

২/৬. অধ্যায়ঃ

মুআযযিনের সাথে সাথে আযানের শব্দগুলি বলা এবং আযানের শেষে নবীর উপর দরূদ পাঠ করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১১

বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)

তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্‌ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪)নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দু’আটি পড়বে,অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাযের প্রভু, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দুআটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।

২/৭. অধ্যায়ঃ

বেশী বেশী মিসওয়াক করা

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১২

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ করতাম।” (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২)** নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে, অযু করার সময়, মুখের গন্ধ পরিবর্তন হলে, কুরআন তেলাওয়াতের সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করে মিসওয়াক করাও সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

২/৮. অধ্যায়ঃ

অগ্রিম মসজিদে যাওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১৩

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আর তারা যদি জানতো অগ্রীম নামাযে আসার ফযীলত কত বেশী, তাহলে অবশ্যই তারা আগেই (নামাযের জন্য) আসতো।” (বুখারী ৬১৫, মুসলিম ৪৩৭)

২/৯. অধ্যায়ঃ

পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১৪

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) “আমি কি তোমাদের এমন জিনিসের খবর দেবো না যার দ্বারা আল্লাহ্ গোনাহ মাফ করেন এবং তোমাদের মর্যাদা উন্নত হয়? সাহাবাগণ বললেন, অবশ্যই বলুন হে আল্লাহ্‌র রাসুল! তিনি বললেন, তা হচ্ছে, কষ্টের সময় সুন্দরভাবে অযু করা, মসজিদের দিকে বেশী বেশী পদচারণা করা এবং এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা। আর ইহা হলো জিহাদে প্রতিরক্ষার কাজের ন্যায়।” (মুসলিম ২৫১)

২/১০. অধ্যায়ঃ

শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে নামাযের জন্য আসাঃ

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস

হাদিস নং ১৫

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যখন নামায আরম্ভ হয়ে যায়, তখন দৌড়ে তাতে শামিল হয়ো না। বরং ধীরস্থির ভাবে হেঁটে এসে তাতে শামিল হও। যতটুকু পাও পড়ে নাও এবং যতটুকু ছুটে যায় পরে পূরণ করে নাও।” (বুখারী ৯০৮, মুসলিম ৬০২)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18